প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৪ ১৩:৩৪ পিএম
আপডেট : ০৫ মে ২০২৪ ১৫:০৪ পিএম
রবিবার ডিবি কার্যালয়ে মিল্টন সমাদ্দারের স্ত্রী মিতু হাওলাদার। ছবি : সংগৃহীত
মিল্টন সমাদ্দারের স্ত্রী মিতু হাওলাদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে গোয়েন্দা পুলিশ।
রবিবার (৫ মে) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ডিবি কার্যালয়ে আসেন মিতু হাওলাদার। দুপুর ১টায় এ খবর লেখা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মানস কুমার পোদ্দার।
সম্প্রতি আলোচিত ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ার’ আশ্রমের চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দারের বিরুদ্ধে অপারেশন থিয়েটারে রোগীর অপারেশন করে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রিসহ নানা অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। এরই প্রেক্ষিতে ১ মে বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুরের নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে মিল্টন সমাদ্দারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মিরপুর বিভাগ। পরের দিন তার বিরুদ্ধে মিরপুর মডেল থানায় বিভিন্ন অভিযোগে তিনটি মামলা হয়। সেসব মামলায় আদালতে সোপর্দ করলে মিল্টনকে তিন দিনের রিমান্ড দেন আদালত।
মিল্টনের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন আর রশীদ বলেছিলেন, মিল্টন সমাদ্দার রিমান্ডে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ সেসব বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার আশ্রমের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে মিল্টনের স্ত্রীকে আগামীকাল রবিবার দুপুরে ডিবিতে ডাকা হয়েছে। আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করব।
তিনি বলেন, নিজের বাবাকে পিটিয়ে গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় এসে মিল্টন সমাদ্দার সাইকোতে পরিণত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এসেছে সেসব বিষয়ে তার কাছে জানতে চাওয়া হচ্ছে। তার উত্থান কীভাবে হলো, তথাকথিত মানবতার ফেরওয়ালা কীভাবে হলেন, তার অর্থের উৎস কীভাবে আসে, কীভাবে সে দরিদ্র মানুষকে সংগ্রহ করতো এবং কেনই বা তাদেরকে টর্চার সেলে এনে পেটাতেন সবকিছু বিষয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
ডিবিপ্রধান আরও বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে মিল্টন কীভাবে অর্থ উপার্জন করতেন এবং কারা তাকে সহয়তা করতেন তাদেরকেও শনাক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। মিল্টন সমাদ্দারের তিন-চারটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সন্ধান মিলেছে। সেসব অ্যাকাউন্টে কারা টাকা পাঠাতেন তদন্ত করে জানানো হবে বলেও জানান হারুন অর রশীদ।