× ই-পেপার প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি ফিচার চট্টগ্রাম ভিডিও সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

দেশ খাদ্য নিরাপত্তা ও খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে : আব্দুর রাজ্জাক

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৪ ২২:০১ পিএম

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২৪ ২২:২৪ পিএম

রাজধানী গুলশানের একটি হোটেলে ‘বিশ্ব ক্ষুধা সূচক ২০২৩ বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত এবং ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। প্রবা ফটো

রাজধানী গুলশানের একটি হোটেলে ‘বিশ্ব ক্ষুধা সূচক ২০২৩ বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত এবং ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। প্রবা ফটো

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেছেন, বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে গত বছরের তুলনায় কিছুটা এগিয়েছে বাংলাদেশ। ক্রমাগত এ সূচকে ভালো অবস্থান তৈরি হচ্ছে। একসময় বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশ ভিক্ষুকের দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। খাদ্য সহায়তার জন্য, খাদ্য কেনার জন্য দেশে দেশে ঘুরতে হয়েছে। এখন সেই দেশ খাদ্য নিরাপত্তা ও খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। এটা আমাদের বড় সফলতা। 

বুধবার (৬ মার্চ) গুলশানের একটি হোটেলে ‘বিশ্ব ক্ষুধা সূচক ২০২৩ বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত এবং ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, একসময় বছরে ১৮ থেকে ২০ লাখ টন চাল আমদানি করতে হতো। কিন্তু এখন বিগত এক বছরে এক কেজিও চাল আনতে হয়নি। এত জনসংখ্যার এ দেশে তুলনামূলক আমরা ক্ষুধা সূচকে অনেক ভালো অবস্থায় আছি। উন্নত দেশের মতো না হলেও দক্ষিণ এশিয়ায় আমরা ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে।

তিনি বলেন, ভারতের মাথাপিছু আয় বাংলাদেশের চেয়ে বেশি, কিন্তু অনেক সামাজিক সূচকে তারা আমাদের থেকে পিছিয়ে। তাদের অনেক এলাকায় এখনো চরম দারিদ্র্য রয়েছে। আর পাকিস্তান এখন আমাদের প্রায় সব সূচকে পিছিয়ে। এখন আমরা টেকসই উন্নয়নের সঠিক পথে রয়েছি। খাদ্য নিরাপত্তায় অনেক এগিয়েছি। এখন কৃষি অনেক আধুনিক, বাণিজ্যিক। চাষীদের সামাজিক গুরুত্বও বেড়েছে। চাষাবাদে এখন মাসে লাখ টাকা ইনকাম করা সম্ভব। অনেক তরুণ জিন্স প্যান্ট পরে চাষাবাদ করছেন। তরুণদের আরও সহযোগিতা ও সুবিধা দেওয়া হলে দেশ এগিয়ে যাবে। সেজন্য কৃষি সংশ্লিষ্টদের দরদি হতে হবে। সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

ওই অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০২৩ সালের বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ১৯, যা গত বছর ছিল ১৯ দশমিক ৬। ফলে গত বছরের তুলনায় সামান্য উন্নতি করেছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। ২০১৪ সালে বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে যেখানে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২৬.৩। আর ২০০০ সালে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৩৩ দশমিক ৮। ক্ষুধা মেটানোর সক্ষমতার দিক থেকে ১২৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮১তম। বাংলাদেশ বর্তমানে ‘মাঝারি মাত্রার’ ক্ষুধায় আক্রান্ত দেশ। চলতি বছরের ক্ষুধা সূচকে মোট ১০০ স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশ পেয়েছে ১৯। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে ক্ষুধা মেটানোর সক্ষমতায় বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (বিশ্ব ক্ষুধা সূচক) ২০২৩ বিশ্বব্যাপী গত কয়েকমাস আগে প্রকাশিত হয়। প্রতিবছর আয়ারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড ও জার্মানভিত্তিক ভেল্ট হাঙ্গার হিলফে যৌথভাবে এ সূচক প্রকাশ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে এ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছিল।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিপার্টমেন্ট অব ইয়ুথ ডেভেলপমেন্টের মহাপরিচালক গাজী মো. সাইফুজ্জামান, ওয়েন্ট হাঙ্গার হিলফে বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর পঙ্কজ কুমার, কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মনিশ কুমার আগারওয়াল, হেলভিটাস বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর শামীম আহমেদ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০১৭১২০৩৩৭১৫ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা