বেসরকারি ফল
মাগুরা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৪ ০১:২৭ এএম
আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৪ ০১:৩৩ এএম
মাগুরা-১ আসনে নির্বাচিত হওয়ার পর সাকিব আল হাসানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। প্রবা ফটো
মাগুরা-১ (শ্রীপুর ও সদরের একাংশ) আসন থেকে বেসরকারিভাবে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন সাকিব আল হাসান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩৮৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেনের ঝুলিতে জুটেছে কেবল ৫ হাজার ৯৭৩ ভোট। বাংলাদেশ কংগ্রেস থেকে ডাব প্রতীক পেয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। সাকিব তার নিকটতম এই প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৯৫ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টির মো. সিরাজুস সায়েফিন সাইফ লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৩৪৩ ভোট। তৃণমুল বিএনপি থেকে সোনালী আঁশ প্রতীক নিয়ে ৮৬৮ ভোট পেয়েছেন সঞ্জয় কুমার রায় রনি। কে এম মোতাসিম বিল্লা বিএনএফ টেলিভিশন প্রতীকে পেয়েছেন ৬৫৪ ভোট।
রাত সাড়ে ১০ টায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের সম্মেলন কক্ষে মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ মাগুরা-১ আসনে নৌকার প্রার্থী সাকিবকে বেসরকারিভাবে জয়ী ঘোষণা করেন। সে সময় সব প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। ফলাফলে দেখা যায়, মাগুরা-১ আসনে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৯৫ হাজার ২২৬। বাতিল হওয়া ভোটের সংখ্যা ৫ হাজার ৬৫। সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ২৯১টি।
ফলাফল ঘোষণার পর জেলা পরিষদের ডাক বাংলোয় চলে যান সাকিব। সেখানে অফেক্ষায় থাকা জেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সাকিবকে ফুলের মালা দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। সাকিব উপস্থিত সবাইকে নিজ হাতে মিষ্টি খাইয়ে সবাইকে ধন্যবাদ দেন।
এর আগে গত ২ জানুয়ারি মাগুরার জনসভায় সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘আমি বলেছি, বক্তব্য দেওয়ার দরকার নেই, তুমি শুধু বলবা তুমি ছক্কা মারতে পারো। বল করে উইকেট ফেলে দিতে পারো। এবার ইলেকশনেও ছক্কা মেরে দিও। আর বল করে উইকেট ফেলে দিতে পারো, তাহলেই হবে। ’নির্বাচনের মাঠে শেখ হাসিনার কথা রেখেছেন সাকিব। প্রথমবার নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমে ভোটের মাঠে বড় ছক্কাই হাঁকিয়েছেন ক্রিকেট মাঠের বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।
এর আগে, রবিবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২৯৯ আসনে ব্যালট পেপারে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ হলেও দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। কিছু জায়গায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় ভোট বাতিল করা হয়েছে কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে। জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার, জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হিসাবে সারা দিনে ভোট পড়েছে ৪০ শতাংশের মতো। বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্রে যেতে ভোটারদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।