বেসরকারি ফল
নড়াইল প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৪ ২৩:১৮ পিএম
আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৪ ২৩:২৮ পিএম
নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাশরাফি বিন মর্তুজা। ছবি : সংগৃহীত
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারি ফলে বিজয়ী হয়েছেন নড়াইল-২ (লোহাগড়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ক্রিকেট তারকা মাশরাফি বিন মর্তুজা। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি।
রবিবার (৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টায় জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী ভোট গণনা শেষে এ ঘোষণা দেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘জেলার দুটি আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
নড়াইল-২ আসনে মাশরাফি বিন মর্তুজা ১ লাখ ৮৯ হাজার ১০২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির হাতুড়ী প্রতীক প্রার্থী শেখ হাফিজুর রহমান পেয়েছেন ৪ হাজার ৪১ ভোট।
এছাড়া এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী খন্দকার ফায়েকুজ্জামান (ফিরোজ) লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৯০৯ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপির) প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম আম প্রতীকে পেয়েছেন ৫৮০ ভোট, গণফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. লতিফুর রহমান মাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৮২ ভোট, ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী মো. মাহবুবুর রহমান মিনার প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৮৫২ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ ফয়জুল আমির (লিটু) ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫৬ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুর ইসলাম ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৩৬৩ ভোট পেয়েছেন।
লোহাগড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও নড়াইল পৌরসভাসহ সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত নড়াইল-২ আসন। এ আসনে ৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭২৯ জন।
এদিকে নির্বাচনে জয়ের পর মাশরাফিকে তার নির্বাচনী এলাকার লোহাগড়ায় ভোটার ও শুভানুধ্যায়ীরা ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এবং ভক্তরা মিষ্টি বিতরণ করেন।
রবিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২৯৯ আসনে ব্যালট পেপারে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ হলেও দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। কিছু জায়গায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় ভোট বাতিল করা হয়েছে কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে। জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার, জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হিসাবে সারা দিনে ভোট পড়েছে ৪০ শতাংশের মতো। বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্রে যেতে ভোটারদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।