প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৯:১৬ পিএম
আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৯:৩১ পিএম
ফাইল ছবি।
রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন কমিশনের কাজে বাধা না দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি পালন করতে পারবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের চাওয়া, নির্বাচনে বাধাসংক্রান্ত যে সভা-সমাবেশ, আন্দোলন কর্মসূচি থাকে, সেটাকে না হতে দেওয়া হয়।’
মঙ্গলবার ইসির উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবকে পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, প্রচার ছাড়া নির্বাচনী কাজে বাধা হতে পারে বা ভোটাররা নিরুৎসাহিত হতে পারে—এমন কোনো সভা-সমাবেশ বা রাজনৈতিক কর্মসূচি করা যাবে না।
চিঠিতে আরও বলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন আগামী ৭ জানুয়ারি ধার্য করা রয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে। ১৮ ডিসেম্বর থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ছাড়া নির্বাচনী কাজে বাধা হতে পারে বা ভোটাররা ভোটদানে নিরুৎসাহিত হতে পারে—এমন কোনো সভা-সমাবেশ বা অন্য কোনো প্রকার রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা থেকে সবাইকে বিরত রাখা বাঞ্ছনীয়।
এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ইসি বিএনপির কর্মসূচি বন্ধে অংশ হলো কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি আলমগীর বলেন, ‘যেসব কর্মসূচি সেটা যে-ই দিক না কেন, সেটা যদি নির্বাচনের পথে বাধা বা হুমকি বা সন্ত্রাসীমূলক হয়, সেক্ষেত্রে আমরা নিষেধ করেছি সেটা হতে দেওয়া যাবে না। যেকোনো লোকের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ বা বক্তব্য বা সংগঠন করার অধিকার আছে। সেক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে করতে পারবে।’
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর। এ দিন থেকেই প্রার্থীরা প্রচার শুরু করতে পারবেন। নির্বাচনী প্রচার শেষ হবে ৫ জানুয়ারি সকালে।