প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ ২২:১৫ পিএম
আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ ২২:১৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
চলতি বছর মার্চ মাস পর্যন্ত দেশে নিপাহ ভাইরাসে ১৪ জন আক্রান্ত হয়ে ১০ জন মারা গেছে। মৃত্যুর হার ৭১ শতাংশ। রবিবার (১০ ডিসেম্বর) রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) আয়োজিত ‘নিপাহ ভাইরাসের বিস্তার এবং ঝুঁকি বিষয়ে অবহিতকরণ’সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
খেজুরের কাঁচা রস থেকে নিপাহ ভাইরাস মানুষে সংক্রমিত হয় উল্লেখ করে সভায় বলা হয়, বাংলাদেশে ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। সুতরাং এখন নিপাহ ভাইরাস ছড়ানোর সময় এবং জনসাধারণকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
সভায় আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন বলেন, ‘নিপাহ ভাইরাস একটি মারাত্মক রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস। এ ভাইরাসের বাহক টেরোপাস (ফল আহারি) গোত্রীয় বাদুড়। বাদুড় থেকে মানুষে এই রোগের সংক্রমণ হয়। ১৯৯৮ সালে মানুষের মধ্যে এ সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয় মালয়েশিয়ায়। আর বাংলাদেশে ২০০১ সালে মেহেরপুর জেলায় নিপাহ ভাইরাসের প্রথম প্রাদুর্ভাব চিহ্নিত হয়। এরপর থেকে প্রায় প্রতিবছরই বাংলাদেশে এই রোগের প্রাদুর্ভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুহার প্রায় ৭০ শতাংশ। দেশে ২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩৩৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৪০ জন রোগী মারা গেছে। সাধারণত খেজুরের কাঁচা রস পানের মাধ্যমে এই ভাইরাস সংক্রমিত হয়।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন- জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. শাহাদাত হোসেন, পরিচালক (হসপিটাল অ্যান্ড ক্লিনিক) ডা. আবু হোসাইন মো. মইনুল আহসান, আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন, ওয়ান হেলথ বাংলাদেশের ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. নীতিশ চন্দ্র দেবনাথ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ড. এন্থনী ইসোফনি ও নিপাহ সার্ভিলেন্স বাংলাদেশ প্রোগ্রামের সমন্বয়ক ডা. শারমিন সুলতানা।