প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০২৩ ২২:৫৯ পিএম
আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ ১০:১৮ এএম
জাতীয় সংসদ ভবন। ছবি : সংগৃহীত
বিএনপি ও তার মিত্রদের ডাকা হরতালের মধ্যেই সারা দেশে আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন প্রার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দেশের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা কার্যালয়ে প্রার্থীরা উৎসবমুখর পরিবেশে রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। বিকাল ৫টার দিকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘মনোনয়নপত্র জমার সময় আর বাড়ানো হচ্ছে না। বিকাল ৪টায় সময় শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশন মনে করে, এ সময়সীমা বাড়ানোর আর কোনো সুযোগ নেই।’
এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নতুন করে আর কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলের সুযোগ শেষ হলো। অনানুষ্ঠানিক হিসাব অনুযায়ী সারা দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে দুই হাজার ৭৪১ জন প্রার্থী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। কোন দলের কতজন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যা কত রাত সাড়ে ৯টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তা নিশ্চিত করতে পারেনি ইসি। প্রতি আসনে গড়ে ৯ দশমিক ১৩ জন করে প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
একাদশ সংসদ নির্বাচনে মোট ৩ হাজার ৫৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সে হিসাবে প্রতি আসনে ১০ দশমিক ১৮ জন করে অংশ নিয়েছিলেন। এদিকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় কোথাও কোথাও আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকটি এলাকায় প্রার্থীদের শোকজ করে কারণ দর্শানোর নোটিসও দেওয়া হয়েছে।
সর্বোচ্চ ৪০ প্রার্থী ফেনী-৩ আসনে
ইসির তথ্য অনুসারে এবার ফেনী-৩ আসনে সর্বোচ্চ ৪০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বগুড়া-৭ আসনে। তৃতীয় সর্বোচ্চ ২১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ঢাকা-৫ আসনে। এ ছাড়া ১৬ জন করে প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন গাইবান্ধা-১, বগুড়া-৩, বরিশাল-৬, ঢাকা-১৩ ও ১৮ আসনে। ১৫ জন করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন পঞ্চগড়-১, কুষ্টিয়া-১, ময়মনসিংহ-৩ ও কুমিল্লা-৮ আসনে। কোনো আসনেই একক প্রার্থী নেই। সর্বনিম্ন চারজন করে প্রার্থী রয়েছেন বান্দরবান, দিনাজপুর-১ ও ৪, সিরাজগঞ্জ-৪, রংপুর-৩, মাদারীপুর-১, সিলেট-৪, বরিশাল-১, ভোলা-১ ও ঝালকাঠি-২ আসনে।
সারা দেশের জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ ২৯৮টি আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। অপরদিকে জাতীয় পার্টি ২৮৭টি, তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টিসহ রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। তবে এ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। হাতেগোনা কয়েকটি ছাড়া প্রায় সব আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছড়াছড়ি। আওয়ামী লীগ প্রার্থীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে যাচ্ছেন দলটির মনোনয়নবঞ্চিতরা।বিশেষ করে বাদ পড়া ৭১ এমপির অনেকে, অর্ধশতাধিক উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ৪ জন এবং আওয়ামী লীগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অনেক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন। এতে করে প্রায় সবগুলো আসনেই দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে দুই থেকে তিনজন করে স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
বিএনপি ও তার মিত্রসহ সমমনা ১৪টি দল নির্বাচন বর্জন করে হরতাল-অবরোধসহ কর্মসূচি পালন করে আসছে। একাদশ সংসদের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি। সেই সংসদের মেয়াদ আগামী বছরের ২৯ জানুয়ারি শেষ হচ্ছে। ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সারা দেশের ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীদের তালিকা নিচে দেওয়া হলো-
রংপুর বিভাগ
রংপুর জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার, বাণিজ্যমন্ত্রী, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপসহ ৪৯ জন প্রার্থী। রংপুর-১ আসনে মসিউর রহমান রাঙ্গা (স্বতন্ত্র), হোসেন মকবুল শাহরিয়ার (জাতীয় পার্টি), রেজাউল করিম রাজু (আ.লীগ), আসাদুজ্জামান বাবলু (স্বতন্ত্র), শাহিনুর আলম (স্বতন্ত্র), মো. মঞ্জুম আলী (স্বতন্ত্র), সবুজ মিয়া (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট), মোশাররফ হোসেন (স্বতন্ত্র), বখতিয়ার হোসেন (বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি), বদরুদ্দোজা চৌধুরী (তৃণমূল বিএনপি), হাবিবুর রহমান (এনপিপি) ও শ্যামলী রায় (বাংলাদেশ কংগ্রেস)। রংপুর-২ আসনে আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আনিছুল ইসলাম মন্ডল (আ.লীগ), বিশ্বনাথ সরকার (স্বতন্ত্র), সুমনা আক্তার (স্বতন্ত্র), মো. আশরাফ উজ জামান (জাকের পার্টি) ও জিল্লুর রহমান (বিএনএফ)। রংপুর-৩ আসনে জিএম কাদের (জাতীয় পার্টি), তুষার কান্তি মন্ডল (আ.লীগ), লায়লা আঞ্জুমান আরা বেগম (জাকের পার্টি), মো. সহিদুল ইসলাম (জাসদ), শফিউল আলম (এনপিপি), মো. আব্দুর রহমান রেজু (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), মোছা. আনোয়ারা ইসলাম রানী (স্বতন্ত্র), এ টি এম রাকিবুল বাশার (স্বতন্ত্র) ও মো. একরামুল হক (বাংলাদেশ কংগ্রেস)। রংপুর-৪ আসনে টিপু মুনশি (আ.লীগ), মোস্তফা সেলিম (জাতীয় পার্টি), সিরাজুল ইসলাম (বাংলাদেশ কংগ্রেস) ও হাকিবুর রহমান (স্বতন্ত্র)। রংপুর-৫ আসনে রাশেক রহমান (আ.লীগ), আনিছুর রহমান (জাতীয় পার্টি), জাকির হোসেন সরকার (স্বতন্ত্র), মাহবুবুর রহমান (বাংলাদেশ কংগ্রেস), আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), আব্দুল হালিম মন্ডল (কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ), এনামুল হক (ইসলামী ফ্রট বাংলাদেশ), শামীম মিয়া (জাকের পার্টি) ও আব্দুল বাতেন (বিএনএফ)।রংপুর-৬ আসনে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (আ.লীগ), নুর আলম মিয়া (জাতীয় পার্টি), ইকবাল হোসেন (তৃণমূল বিএনপি), মো. হুমায়ুন ইজাজ (এনপিপি), বেদারুল ইসলাম (জাকের পার্টি), জাকারিয়া হোসেন (বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি), মো. মাহবুল আলম (বাংলাদেশ কংগ্রেস), তাকিয়া জাহান চৌধুরী (স্বতন্ত্র) ও সিরাজুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)।
পঞ্চগড়ের ১ ও ২ আসনে মোট ২০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। পঞ্চগড়-১ আসনে নাঈমুজ্জামান ভূইয়া মুক্তা (আ.লীগ), আনোয়ার সাদাত (স্বতন্ত্র), মজাহারুল হক প্রধান, আবু তোয়বুর রহমান, আকতারুজ্জামান, আবু সালেক (জাতীয় পার্টি), আব্দুর রহিম (জাতীয় পার্টি)। সুমন রানা (জাকের পার্টি), আনিসুর রহমান (জাকের পার্টি), ফারুক আহাম্মেদ (জাসদ), আব্দুল ওয়াদুদ বাদশা (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), মশিউর রহমান বাবুল (এনপিপি), সিরাজুল ইসলাম (বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট), মিল্টন রায় (বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি) ও আব্দুল মজিদ (মুক্তিজোট)। পঞ্চগড়-২ আসনে নূরুল ইসলাম সুজন (আ.লীগ), লুৎফর রহমান রিপন (জাতীয় পার্টি), শাহা আলম (জাকের পার্টি), আহমাদ রেজা ফারুকি (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি) ও আব্দুল আজিজ (তৃণমূল বিএনপি)।
কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে ৭ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সৌমেন্দ্র প্রসাদ পান্ডে গবা (আ. লীগ), আব্দুস সোবহান (জাতীয় পার্টি), ডা. আক্কাস আলী সরকার (স্বতন্ত্র), আব্দুল বাতেন (তৃণমূল বিএনপি), সাহেব মিয়া (জাকের পার্টি), হাবিবুর রহমান (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ) ও মোসাদ্দেকুল আলম (ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি)।
দিনাজপুর-৫ আসনে ৬ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (আ.লীগ), নুরুল ইসলাম (জাতীয় পাটি), হারুন আর রশিদ (জাকের পাটি), শওকত আলী (পিপলস্ পাটি), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) তোজাম্মেল হক (স্বতন্ত্র) ও হযরত আলী বেলাল (স্বতন্ত্র)।
রাজশাহী বিভাগ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করছেন ২৩ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে ৯ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে ৭ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে ৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল (আ.লীগ), গোলাম রব্বানী (স্বতন্ত্র), মো. শফিকুল ইসলাম ও সৈয়দ নজরুল ইসলাম, নবাব মোহাম্মদ শামসুল হুদা (ইসলামিক ফ্রন্ট), নুরুল ইসলাম জেন্টু (বিএনএফ), আব্দুল হালিম (এনপিপি), মো. আব্দুর রহিম (জাকের পার্টি), মো. আফজাল হোসেন (জাতীয় পার্টি)।চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন মুহা. জিয়াউর রহমান (আ. লীগ), মো. আজিজুর রহমান (বিএনএফ), মো. খুরশিদ আলম বাচ্চু (স্বতন্ত্র) ও গোলাম মোস্তাফা, আব্দুর রশিদ (জাতীয় পার্টি), মো. মানিক (জাকের পার্টি) এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন (বাংলাদেশ কংগ্রেস)। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে আব্দুল ওদুদ (আ. লীগ), বাবলু হোসেন জাকের পার্টি, কামরুজ্জামান খান (বিএনএফ), মো. নাহিদ আহমেদ (এনপিপি), ডা. গোলাম রাব্বানী (স্বতন্ত্র), মো. মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল (জাতীয় পার্টি) ও মাওলানা আব্দুল মতিন (বিএনএফ) মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
নাটোর-১ আসনে শহিদুল ইসলাম বকুল (আ.লীগ)সহ ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে চাচা-ভাতিজাসহ ৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। নাটোর-২ আসনে শফিকুল ইসলাম শিমুল (আ.লীগ)সহ মোট ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে নৌকার বিপক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ১ জন। তিনি সাবেক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার (স্বতন্ত্র)। নাটোর-৩ আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক (আ.লীগ)। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে স্বতন্ত্র রয়েছেন ২ জন প্রার্থী এবং নাটোর-৪ আসনে সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী (আ.লীগ)সহ মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ৪ জন।
জয়পুরহাট-১ আসনে ১০ জন। তারা হলেন- সামছুল আলম দুদু (আ.লীগ), মো. রুকুনুজ্জামান (এনপিপি), আবু খায়ের মো. সাখাওয়াত হোসেন (জাসদ), এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন (জাতীয় পার্টি), মো. মাসুম (তৃণমূল বিএনপি), এ কে এম রায়হান মন্ডল মনু (স্বতন্ত্র), আব্দুল আজিজ মোল্লা (স্বতন্ত্র), মোছা. আলেয়া বেগম (স্বতন্ত্র), মো. জহুরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র) ও রানী রাবেয়া আসরী (স্বতন্ত্র)।
জয়পুরহাট-২ আসনে মোট ৯ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হলেন- আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (আ.লীগ), মো. আবু সাঈদ (এনপিপি), আবুল খায়ের মো. সাখাওয়াত হোসেন (জাসদ), মো. গোলাম রসুল (জাকের পার্টি), মো. নয়ন (বাংলাদেশ কংগ্রেস), আবু সাঈদ নুরুল্লাহ (জাতীয় পার্টি), মো আতোয়ার রহমান (স্বতন্ত্র), মো. আব্দুর রাজ্জাক সরদার (স্বতন্ত্র) ও মো. গোলাম মাহফুজ চৌধুরী ওরফে অবসর (স্বতন্ত্র)।
চট্টগ্রাম বিভাগ
কুমিল্লা-২ আসনে নৌকা প্রার্থীসহ ৪ জন জমা দিয়েছেন। সেলিমা আহমাদ মেরী ( আ.লীগ), মেঘনা উপজেলা আ.লীগের সভাপতি শফিকুল আলম (স্বতন্ত্র), মো. আলতাফ হোসেন (ইসলামী ঐক্য জোট) ও সুলতান মহিউদ্দিন (খেলাফত আন্দোলন)। কুমিল্লা-৫ আসনে ৭ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। আবুল হাসেম খান (আ.লীগ), মুফতী বাকী বিল্লাহ আল আহযারী (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), সাজ্জাদ হোসেন, শওকত মাহমুদ, জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী, আবু জাহের ও এহতেশামুল হাসান ভুঁইয়া রুমি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ফয়জুর রহমান বাদল (আ.লীগ), একেএম মমিনুল হক সাঈদ (স্বতন্ত্র), নজরুল ইসলাম নবী, মোবারক হোসেন দুলু (জাতীয় পার্টি), মোহাম্মদ আক্তার হোসেন সাঈদ (জাসদ), মেহেদী হাসান (ইসলামী ঐক্য জোট), মো. জামাল সরকার (সুপ্রিম পার্টি), মো. মোস্তাক (স্বতন্ত্র), মো. জামসেদ মিয়া (জাকের পার্টি) ও সৈয়দ জাফরুল কুদ্দুস (তরিকত ফেডারেশন)।
বরিশাল বিভাগ
ভোলা-৩ আসনে প্রার্থী দুজন। নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (আওয়ামী লীগ), মেজর (অবসর) জসিম উদ্দিন (স্বতন্ত্র)।
ভোলা-৪ আসনে প্রার্থী চারজন। আল ইসলাম জ্যাকব (আওয়ামী লীগ), মোহাম্মদ হানিফ (তৃণমূল বিএনপি), আবুল ফয়েজ (স্বতন্ত্র) ও মো. মিজানুর রহমান (জাতীয় পার্টি)।
পিরোজপুর-২ আসনে প্রার্থী আটজন। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (জেপি), অ্যাডভোকেট কানাই লাল বিশ্বাস (আওয়ামী লীগ), মো. মহিউদ্দিন মহারাজ (স্বতন্ত্র), মো. আবুল বাশার (এনএনপি), মো. মাহতাব উদ্দিন (গণফ্রন্ট), মো. খলিলুর রহমান (জাতীয় পার্টি), মো. জাকির হোসেন (বিটিএফ), মো. সগির মিয়া (বাংলাদেশ কংগ্রেস)।
বরগুনা-১ আসনে প্রার্থী ১১ জন। অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (আওয়ামী লীগ), গোলাম সরোয়ার টুকু (স্বতন্ত্র), খলিলুর রহমান (স্বতন্ত্র), গোলাম সরোয়ার ফোরকান (স্বতন্ত্র), মো. খলিলুর রহমান (জাতীয় পার্টি), মো. জাহাঙ্গীর কবির (জাকের পার্টি), মাহবুবুর রহমান (এনপিপি), মো. মাসুদ কামাল (বিএনএম), মো. ইউনুস সোহাগ (তৃণমূল বিএনপি), শাহ মো. আবুল কালাম (বিটিএফ) ও মো. নুরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)। বরগুনা-২ আসনে প্রার্থী ১৮ জন। সুলতানা নাদিরা (আওয়ামী লীগ), ড. আবদুর রহমান খোকন (বিএনএম), মিজানুর রহমান (জাতীয় পার্টি), অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান (বাংলাদেশ কংগ্রেস), মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক (বিএসপি), মো. কামরুজ্জামানা লিটন (তৃণমূল বিএনপি), শাহ মো. আবুল কালাম (বিটিএফ), মো. রফিকুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)।
পটুয়াখালী-৪ আসনে প্রার্থী পাঁচজন। অধ্যক্ষ মহিব্বুর রহমান মহিব (আওয়ামী লীগ), মাহবুবুর রহমান তালুকদার (স্বতন্ত্র), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাবিবুর রহমান (স্বতন্ত্র), আব্দুল্লাহ আল ইসলাম লিটন (স্বতন্ত্র), বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু (জাসদ), এবি মান্নান হাওলাদার (জাতীয় পার্টি)।
খুলনা বিভাগ
কুষ্টিয়া-১ আসনে প্রার্থী নয়জন। আ কা ম সরওয়ার জাহান বাদশা (আওয়ামী লীগ), শাহরিয়ার জামিল (জাতীয় পার্টি), রেজাউল হক চৌধুরী (স্বতন্ত্র), ফারুক হোসেন (স্বতন্ত্র), ফিরোজ আলম মামুন (স্বতন্ত্র), মজিবুর রহমান (বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি), শরিফুল কবির স্বপন (জাসদ), নাজমুল হুদা (স্বতন্ত্র), সাজেদুল ইসলাম (মুক্ত জোট)।
কুষ্টিয়া-২ আসনে প্রার্থী ১১ জন। হাসানুল হক ইনু (জাসদ), কামারুল আরেফিন (আওয়ামী লীগ), ডা. মুস্তানজিদ (স্বতন্ত্র), ডা. ইফতেখার মাহমুদ (স্বতন্ত্র), ডা. শহিদুল ইসলাম ফারুকি (জাতীয় পার্টি), শেখ আরিফুর রহমান (বিএনএম), বাবুল আক্তার (ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ), সৈয়দ কামরুল আরেফিন (স্বতন্ত্র), আনোয়ার হোসেন বাবলু (সাম্যবাদী দল), শরিফুজ্জামান নবাব (স্বতন্ত্র)। কুষ্টিয়া-৩ আসনে প্রার্থী ১০ জন। মাহবুব-উল আলম হানিফ (আওয়ামী লীগ), গোলাম মহাসিন (জাসদ), নাফিজ আহমেদ খান টিটু (জাতীয় পার্টি), পারভেজ আনোয়ার তনু (স্বতন্ত্র), রাকিবুজ্জামান সেতু (স্বতন্ত্র), ফরিদ উদ্দিন শেখ (এনপিপি), মেহেদি হাসান রিজভি (তরীকত ফেডারেশন), কেএম জহুরুল ইসলাম (বিএনএফ), মোস্তফা কামাল মারুফ (বিএনএম) ও আবু আশরাফ শাহিনুর আজাদ (জাকের পার্টি)। কুষ্টিয়া-৪ আসনে প্রার্থী নয়জন। ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ (আওয়ামী লীগ), আব্দুর রউফ (স্বতন্ত্র), আবু সামস খালেকুজ্জামান (তৃণমুল বিএনপি), আলতাফ হোসেন (তরীকত ফেডারেশন), আইনুদ্দিন (জাতীয় পার্টি), খাইরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), রাশিদুল ইসলাম (বাংলাদেশ কংগ্রেস), শহিদুল ইসলাম (এনপিপি) ও হারুনার রশিদ (বিএনএফ)।
ঝিনাইদহ-৪ আসনে প্রার্থী পাঁচজন। আনোয়ারুল আজিম আনার (আওয়ামী লীগ), নজরুল ইসলাম ছানা (স্বতন্ত্র), ইমদাদুল হক বাচ্চু (জাতীয় পার্টি), ইছাহক আলী বিশ্বাস (জাকের পার্টি), আব্দুর রশিদ খোকন (স্বতন্ত্র)।
বাগেরহাট-৪ আসনে প্রার্থী দুজন। এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ (আওয়ামী লীগ) ও এম আর জামিল হোসাইন (স্বতন্ত্র)।
ময়মনসিংহ বিভাগ
শেরপুর-১ আসনে প্রার্থী সাতজন। আতাউর রহমান আতিক (আওয়ামী লীগ), ছানুয়ার হোসেন ছানু (স্বতন্ত্র), ইলিয়াছ উদ্দিন ও মাহমুদুল হক (জাতীয় পার্টি), আহসানুল হক আকন্দ (জাকের পার্টি), অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল্লাহ (বিএনএম), অ্যাডভোকেট মুখলেছুর রহমান আকন্দ (স্বতন্ত্র)।
শেরপুর-২ আসনে প্রার্থী চারজন। বেগম মতিয়া চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), জাহেদুল রশিদ শ্যামল (তৃণমূল বিএনপি), লাল মোহাম্মদ সাহজাহান কিবরিয়া (জাসদ), মিজানুর রহমান (স্বতন্ত্র)।
শেরপুর-৩ আসনে প্রার্থী আটজন। এডিএম শহিদুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ), এস এম এ আব্দুল্লাহেল ওয়ারেছ নাঈম (স্বতন্ত্র), মহসিনুল বারি রুমি (স্বতন্ত্র), মিজানুর রহমান (স্বতন্ত্র), এইচএম ইকবাল (স্বতন্ত্র), ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল হক (জাতীয় পার্টি), সুন্দর আলী (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ) ও ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল (স্বতন্ত্র)।
জামালপুর-১ আসনে প্রার্থী ছয়জন। নূর মোহাম্মদ (আওয়ামী লীগ), এস এম আবু সায়েম (জাতীয় পার্টি), মো. জিয়াউল হক (স্বতন্ত্র), মো. মাহবুবুল হাসান (স্বতন্ত্র), আব্দুল্লাহ আল মামুন (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ), গোলাম মোস্তফা (তৃণমূল বিএনপি)। জামালপুর-২ আসনে প্রার্থী সাতজন। ফরিদুল হক খান (আওয়ামী লীগ), মোস্তফা আল মাহমুদ (জাতীয় পার্টি), জিয়াউল হক জিয়া (স্বতন্ত্র), শাহজাহান আলী মণ্ডল (স্বতন্ত্র), এস এম শাহিনুজ্জামান (স্বতন্ত্র), আব্দুল হালিম মণ্ডল (জাকের পার্টি) ও হোসেন রেজা বাবু (তৃণমূল বিএনপি)। জামালপুর-৩ আসনে প্রার্থী পাঁচজন। ফরিদুল মির্জা আজম (আওয়ামী লীগ), নুরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), মীর সামসুল আলম (জাতীয় পার্টি), সৈয়দ নজরুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি-জেপি) ও জয়নাল আবেদীন (জাকের পার্টি)। জামালপুর-৪ আসনে প্রার্থী নয়জন। মাহবুবুর রহমান (আওয়ামী লীগ), আবুল কালাম আজাদ (জাতীয় পার্টি), ডা. মুরাদ হাসান (স্বতন্ত্র), ছানোয়ার হোসেন বাদশা (স্বতন্ত্র), আব্দুর রশিদ (স্বতন্ত্র), সাইফুল ইসলাম (তৃণমূল বিএনপি), রবিউল ইসলাম (জাকের পার্টি), গোলাম মোস্তফা জিন্নাহ (জাসদ) ও তারেক মাহাদী (বিএনএফ)। জামালপুর-৫ আসনে প্রার্থী ১১ জন। আবুল কালাম আজাদ (আওয়ামী লীগ), জাকির হোসেন খান (জাতীয় পার্টি), ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী (স্বতন্ত্র), রেজাউল করিম রেজনু (স্বতন্ত্র), বাবর আলী খান (জাতীয় পার্টি-জেপি), আবু সায়ের মোহাম্মদ সাদাতুল করিম (বাংলাদেশ কংগ্রেস), রফিকুল ইসলাম (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি), আব্দুল করিম সরকার (বাংলাদেশ কংগ্রেস), জাবেরুজ্জামান (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), সৈয়দ মনিরুল হক নোবেল (জাকের পার্টি) ও জাকির হোসেন তারা (স্বতন্ত্র)।
সিলেট বিভাগ
মৌলভীবাজারে ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। এর মধ্যে মৌলভী বাজার-১ আসনে প্রার্থী পাঁচজন। প্রার্থীরা হলেন- মো. শাহাব উদ্দিন (আ.লীগ), আহমদ রিয়াজ (জাতীয় পার্টি), ফারুক আহমদ (স্বতন্ত্র), মো. আনোয়ার হোসেন (তৃণমূল বিএনপি), মোহাম্মদ ময়নুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)। মৌলভীবাজার-২ আসনে মো. বদরুল হোসেন (জাসদ), অধ্যক্ষ একেএম সফি আহমদ সলমান (স্বতন্ত্র), আব্দুল মতিন (স্বতন্ত্র), শফিউল আলম চৌধুরী (আ.লীগ), এম এম শাহীন (স্বতন্ত্র), মাওলানা আছলাম হোসাইন রহমানী (ইসলামী ঐক্যজোট), মো. কামরুজ্জামান সিমু (বিকল্পধারা), এনামুল হক মাহতাব (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), মো. মাহবুবুল আলম (জাতীয় পার্টি), মো. আব্দুল মালিক (জাতীয় পার্টি)। মৌলভীবাজার-৩ আসনে আব্দুল মোছাব্বির (জাসদ), রুহুল আমিন (জাসদ), মো. আব্দুল রহিম শহিদ (স্বতন্ত্র), মো. আলতাফুর রহমান (জাতীয় পার্টি), মো. ফাহাদ আলম (সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট), মো. আব্দুর রউফ (ইসলামী ফ্রন্ট), মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম (জাকের পার্টি), মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান (আ.লীগ), সাদিকুর রহমান (স্বতন্ত্র), তাপস কুমার ঘোষ (ওয়ার্কার্স পার্টি), মো. আবু বকর (এনপিপি)। মৌলভীবাজার-৪ আসনে মো. আব্দুস শহীদ (আ.লীগ), মো. নজরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), মো. আনোয়ার হোসাইন (ইসলামিক ঐক্যজোট), মো. মস্তান মিয়া (জাতীয় পার্টি), মুহিদ হাসানী (ইসলামী ঐক্যফ্রন্ট), মুহিবুর রহমান আজাদ (জাকের পার্টি)।
সুনামগঞ্জে পাঁচটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ৪১টি। সুনামগঞ্জ-১ আসনে প্রার্থী নয়জন। তারা হলেন- জাহানুর রশীদ (গণফ্রন্ট), মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (স্বতন্ত্র), সেলিম আহমদ (স্বতন্ত্র), রনজিত সরকার (আ.লীগ), হারিছ মিয়া (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), আব্দুল মান্নান (জাতীয় পার্টি), সালেহ আহমদ (বাংলাদেশ কংগ্রেস), মো. আশরাফ আলী (তৃণমূল বিএনপি), মো. রফিকুল ইসলাম (বিকল্পধারা বাংলাদেশ)। সুনামগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ছয়জন। তারা হলেনÑ ঋতেশ রঞ্জন দেব (স্বতন্ত্র), চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (আ.লীগ), মিহির রঞ্জন দাস (গণতন্ত্রী পার্টি), মো. মিজানুর রহমান (স্বতন্ত্র), ড. জয়া সেনগুপ্তা এমপি (স্বতন্ত্র), ড. মো. সামসুল হক চৌধুরী (স্বতন্ত্র)। সুনামগঞ্জ-৩ আসনেও প্রার্থী সংখ্যা ছয়জন। তারা হলেনÑ মো. মাহফুজুর রহমান খালেদ (স্বতন্ত্র), মো. নজরুল ইসলাম (জাকের পার্টি), পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান (আ.লীগ), অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী (তৃণমূল বিএনপি), তৌফিক আলী মিনার (জাতীয় পার্টি), তালুকদার মকবুল হোসেন (জাতীয় গণফ্রন্ট)। সুনামগঞ্জ-৪ আসনে প্রার্থী আটজন। তারা হলেন- ড. মোহাম্মদ সাদিক (আ.লীগ), অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান (জাতীয় পার্টি), এম এনামুল কবীর ইমন (স্বতন্ত্র), মোবারক হোসেন (স্বতন্ত্র), আবু তাহের মো. রুহুল ইসলাম (জাসদ), মোহাম্মদ দিলোয়ার (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি), দেওয়ান শামসুল আবেদীন (বিএনএম), আবুল ফজল মো. মাসউদ (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি) সুনামগঞ্জ-৫ আসনে প্রার্থী ১২ জন। তারা হলেন- মহিবুর রহমান মানিক (আ.লীগ), শামীম আহমদ চৌধুরী (আ.লীগ), আইয়ূব করম আলী (গণফোরাম), আবু সালেহ (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি), সাচ্চু বিশ্বাস (সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট), মো. আশরাফ হোসেন (ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট), শেখ ইয়াকুব আলী (জাকের পার্টি), আবু সালেহ (সুপ্রিম পার্টি), আজিজুল হক (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি), মো. নাজমুল হুদা (জাতীয় পার্টি), আইয়ূব করম আলী (স্বতন্ত্র), মনির উদ্দিন, হাজী আব্দুল জলিল (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ)। আবু লেইস (জাতীয় পার্টি), রুহুল আমিন, বদরুল আলম (ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি)।
হবিগঞ্জের ৪টি আসনে প্রার্থী ৪০ জন। হবিগঞ্জ-১ আসনে ডাক্তার মুশফিক হুসেন চৌধুরী, আব্দুল মুনিম চৌধুরী (বাবু) (জাতীয় পার্টি) ও অ্যাডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া (স্বতন্ত্র)।
হবিগঞ্জ-২ আসনে অ্যাডভোকেট ময়েজ উদ্দিন শরীফ রুয়েল (আ.লীগ), অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান (স্বতন্ত্র), শংকর পাল। হবিগঞ্জ-৩ আসনে (হবিগঞ্জ সদর-লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ) অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির, এমএ মুমিন চৌধুরী বুলবুল (জাতীয় পার্টি), অ্যাডভোকেট আশরাফ উদ্দিন আহমেদ (স্বতন্ত্র)। হবিগঞ্জ-৪ আসনে (মাধবপুর-চুনারুঘাট) অ্যাডভোকেট মো. মাহবুব আলী (স্বতন্ত্র), আহাদ উদ্দিন চৌধুরী (স্বতন্ত্র), ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন (স্বতন্ত্র)।