× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

গণহত্যা বিষয়ক ৮ম আন্তর্জাতিক সম্মেলন

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০২৩ ২২:০৫ পিএম

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২৩ ২২:৩৮ পিএম

গণহত্যা বিষয়ক ৮ম আন্তর্জাতিক সম্মেলন

গণহত্যা অস্বীকৃতির রাজনীতি বিষয়ক অষ্টম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে আয়োজন করা হয় তিন দিনের এই সম্মেলন। এতে আলোচনা করছেন গণহত্যা বিষয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এশিয়া জাস্টিস অ্যান্ড রাইটসের সভাপতি ব্যারিস্টার প্যাট্রিক বার্জেস, ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড এশিয়া অঞ্চলের চেয়ারম্যান ড. হেলেন জার্ভিস, ইতালির স্থায়ী পিপলস ট্রাইব্যুনালের সাধারণ সম্পাদক দ্য জিভানী তগনম, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি আসাদুজ্জামান নূর। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ড. সারওয়ার আলী। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি ইশা চৌধুরী।

আয়োজকরা জানান, ২০০৮ সালে প্রথম গণহত্যা এবং ন্যায়বিচার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। সে ধারায় এবারের সম্মেলন মূলত গণহত্যা ও একে অস্বীকৃতির রাজনীতি নিয়ে। এশিয়া জাস্টিস অ্যান্ড রাইটসের সভাপতি বলেন, আমরা প্রতিদিন সংবাদপত্রে গাজা উপত্যকায় গণহত্যার খবর পড়ছি। এর আগে আমরা রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার সাক্ষী হয়েছি। ১৯৭১ সালেও চলেছিল গণহত্যা। নিয়মিত এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে রয়েছে রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন কারণ। আমরা গত ৩০ বছর ধরে এ নিয়ে কাজ করছি। হুট করে সফলতা আসবে না এটা ভেবেই কাজ করছি। এর জন্য প্রয়োজন সম্মিলিত শক্তি।

হেলেন জার্ভিস বলেন, কিছু গণহত্যা এমনভাবে করা হয় যেন সেটি কিছুই নয়। অত্যাচারীরা সেই গণহত্যাকে শুধু বারবার অস্বীকারই করে না, বরং অনেক সময় গণহত্যার স্বীকৃতিটুকুও পায় না অত্যাচারিত অঞ্চলটি। যেমনটা ঘটছে এখন গাজা উপত্যকায়। প্রতিদিন টিভির পর্দায় দেখা যাচ্ছে গণহত্যার মর্মান্তিক চিত্র। একে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কম্বোডিয়ায় গণহত্যার স্বীকৃতি পেতে দেশটিকে অনেক বেগ পেতে হচ্ছে। অনেকটা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গণহত্যার স্বীকৃতি পাওয়ার মতো।

ইতালির স্থায়ী পিপলস ট্রাইব্যুনালের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের এই ট্রাইবুনালের লক্ষ্য হচ্ছে গণহত্যাসহ আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধগুলো বিশ্বস্তভাবে রেকর্ড করা এবং ক্ষতিপূরণের জন্য চাপ দেওয়া। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনগুলো যথাযথ প্রয়োগের চেষ্টা করে ট্রাইবুনাল। ঐতিহাসিক গণহত্যা এবং বর্তমান চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন, গাজা-ইসরায়েল ইস্যু নিয়েও কাজ করছে এই ট্রাইবুনাল। আলোচনা শেষে মুক্তিযুদ্ধ এবং সে সময়ের বাংলাদেশে গণহত্যা নিয়ে নির্মিত কৃষ্ণেন্দু বোসের নির্মিত 'বে অব ব্লাড' প্রদর্শিত হয়।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা