× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

অনুমোদিত লোডের চাইতে বেশি বিদ্যুৎ নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২২ ২১:৫৫ পিএম

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২২ ১৩:৫২ পিএম

৪ অক্টোবর জাতীয় গ্রিড বিপর্যয়ে দেশের অর্ধেকের বেশি এলাকা চার থেকে আট ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ছিল। ছবি : সংগৃহীত

৪ অক্টোবর জাতীয় গ্রিড বিপর্যয়ে দেশের অর্ধেকের বেশি এলাকা চার থেকে আট ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ছিল। ছবি : সংগৃহীত

গ্রিড বিপর্যয়ের দিন অনুমোদিত লোডের চাইতে বেশি বিদ্যুৎ নেওয়ার প্রমাণ মিলেছে তদন্তে। ঢাকার দুই বিতরণ কোম্পানি ডিপিডিসি, ডেসকো ছাড়াও পিডিবি ও আরইবি এ ঘটনায় চারটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার তদন্ত শেষ করার সময় বেঁধে দিলেও আগামী রবিবার তদন্ত প্রতিবেদনগুলো জমা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

পিডিবি ও ডেসকো বলছে, অনুমোদিত মাত্রার চাইতে বেশি বিদ্যুৎ নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে তারা। তবে বেশি বিদ্যুৎ নেওয়ার ফলে ব্ল্যাকআউটের মতো ঘটনা ঘটতে পারে কি না তা পর্যালোচনার পর বলা যাবে বলে জানিয়েছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

পিডিবিসূত্র বলছে, তারা দেশের চারটি বিতরণ জোনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। এগুলো হচ্ছেচট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট ও ময়মনসিংহ। এর মধ্যে চট্টগ্রামে অনুমোদিত লোডের ৯, কুমিল্লায় ৩ দশমিক ৬ ও ময়মনসিংহে ৩ ভাগ বিদ্যুৎ বেশি নেওয়া হচ্ছিল। তবে সিলেটে অনুমোদিত লোডের চাইতে কম বিদ্যুৎ নিয়েছে পিডিবি।

পিডিবির তদন্তসংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, এখনও আমাদের তদন্ত শেষ হয়নি। আশা করি রবিবার নাগাদ প্রতিবেদন জমা দিতে পারব। আমরা অনুমোদিত মাত্রার চাইতে বেশি লোড নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছি। তবে এ মাত্রা ব্ল্যাকআউটের জন্য দায়ী কি না তা এখনও বোঝা যাচ্ছে না।

চট্টগ্রাম জোনে ১৩২ কেভি লাইন থেকে আবুল খায়ের স্টিল মিল সরাসরি বিদ্যুৎ নেয়। বিএসআরএম ২৩০ কেভি থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ নেয়। এ ছাড়া চট্টগ্রামে আরও কয়েকটি স্টিল মিল রয়েছে তারাও গ্রিড থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে থাকে। বিতরণ এলাকা হলেও সরাসরি এসব প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে ন্যাশনাল লোড ডেসপাস সেন্টার। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পিডিবির বিদ্যুৎ বিতরণের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাওসার আমির আলী বলেন, তাদের নেওয়া লোডও অনুমোদিত মাত্রার চাইতে বেশি ছিল। অর্থাৎ তারাও ওভারলোডে বিদ্যুৎ নিচ্ছিলেন। তবে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আগেই কী পরিমাণ লোড বেশি নেওয়া হচ্ছিল তা বলতে রাজি হননি তিনি।

ডিপিডিসির তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক প্রধান প্রকৌশলী (গ্রিড) এ এইচ এম মহিউদ্দিন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল লোড ডেসপাস সেন্টারে গিয়েছিলাম। তাদের দেওয়া তথ্যগুলো নিয়ে এসেছি। আমরা ডিপিডিসির অর্থাৎ আমাদের তথ্যগুলো চেয়েছি। আগামী রবিবার এগুলো মিলিয়ে দেখব। তখন বলা যাবে আমরা কতটা বেশি নিয়েছি বা নিইনি।’

কিন্তু ডিপিডিসির একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিপিডিসিও অনুমোদিত মাত্রা মানেনি। তাদের এনএলডিসি সরবরাহ ঘাটতি থাকায় লোডশেডিং করতে বললেও তারা তা করেনি।

এদিকে আরইবির তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক প্রধান প্রকৌশলী (প্ল্যানিং অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট ) মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘তদন্ত শেষ হলেই আমরা যথাযথ মাধ্যমে প্রতিবেদন সরকারের কাছে পাঠাব। তবে এর জন্য আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।’

ব্ল্যাকআউটের ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করতে ১৭ অক্টোবর কমিটি গঠন করে চার বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠান। সব কমিটিতে মন্ত্রণালয়ের একজন করে প্রতিনিধি রয়েছেন। কমিটিকে তিন দিনের সময় দেওয়া হয়।

পিজিসিবির তদন্ত কমিটি বলছে, ব্ল্যাকআউটের দিন ৪ অক্টোবর ২টা ৫ মিনিটে এনএলডিসি থেকে ফোন করে বিতরণ কোম্পানিগুলোকে আরও বেশি লোডশেডিং করতে বলা হয়। কিন্তু তারা তা না মানায় গ্রিড বিগড়ে যায়।

পিজিসিবির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘পিজিসিবি প্রচলিত ফোনে যোগাযোগ করে না। তাদের বিশেষ ফোন রয়েছে। যার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এ ফোনের রেকর্ড থাকে। ফলে চাইলেও বিতরণ কোম্পানিগুলো এসব অস্বীকার করতে পারবে না। আমরা রেকর্ড চেক করে দেখেছি তাদের বারবার বলার পরও লোডশেডিং করেনি।’


প্রবা/আরকে/জেও

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা