প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৩ ২০:৪০ পিএম
আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৩ ২১:০৩ পিএম
পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি কিছুটা উত্তর ও উত্তর-পূর্বদিকে অগ্রসর এবং ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় হামুনে পরিণত হয়েছে। এটি বর্তমানে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তার কাছাকাছি উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
সোমবার (২৩ অক্টোবর) রাতে আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় হামুনে পরিণত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তার কাছাকাছি বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।’
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সপ্তম বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গভীর নিম্নচাপটি সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৭০ কিলোমিটার পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৩০ কিলোমিটার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর ও উত্তর-পূর্বদিকে অগ্রসর এবং ঘনীভূত হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারে মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ৬২ কিলোমিটার। যা দমকা বা ঝড়োহাওয়া আকারে সর্বোচ্চ ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। এজন্য দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে এক নম্বর সতর্কসংকেত নামিয়ে তিন নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। তা ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা এবং ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাফেরা করতে বলা হয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সোমবার সকাল ৯টা থেকে পবরর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তা ছাড়া দেশের দক্ষিণাঞ্চলে হাল্কা থেকে মাঝারি অথবা মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।