× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার শঙ্কা, ভারত-চীনের দিকে ঝুঁকতে পারে ঢাকা

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৩ ০১:০১ এএম

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৩ ১৩:৫০ পিএম

নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার শঙ্কা, ভারত-চীনের দিকে ঝুঁকতে পারে ঢাকা

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ও রাজপথের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এই সংকটের সমাধান না হলে আসছে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগে-পরে সহিংসতা হতে পারে। বেলজিয়ামের ব্রাসেলসভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের (আইসিজি) বাংলাদেশবিষয়ক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

সংস্থটি বলছে, এরই ধারাবাহিকতায় শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা এলে ভারত ও চীনের দিকে আরও ঝুঁকে পড়তে পারে বাংলাদেশ। 

সুশাসন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির জন্য সমর্থন গড়তে কাজ করছে ক্রাইসিস গ্রুপ। এই সংস্থা গেল বুধবার তাদের নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে চলতি বছরের অক্টোবর থেকে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের সম্ভাব্য নানা বিষয় তুলে ধরেছে। এর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিরতা এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে সংঘাতের শঙ্কার কথাও এসেছে।

প্রতিবেদনে ‘আসছে মাসগুলোতে কী নজরে থাকবে’ শিরোনামের আওতায় তিনটি বিষয়ে নিজেদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে সংস্থাটি। ওই তিনটি বিষয়ের মধ্যে প্রথমেই বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের কথা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে দাবি শুধু উপেক্ষাই করবে না, দলটি বিএনপির ওপর তাদের দমন নীতি চালিয়ে যাবে। প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থকরা রাস্তায় সংঘর্ষ বা দলীয় অফিস বা প্রার্থীদের আক্রমণ করতে পারে। ইসলামপন্থি দলগুলো সরকারের বিরোধিতায় আরও সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। সম্ভাব্য ভোট কারচুপির শঙ্কায় বিরোধীরা নির্বাচন বয়কট করে আরও সহিংস কৌশল নিতে পারে। নির্বাচন পরবর্তী বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে হস্তক্ষেপ করতে পারে সেনাবাহিনী। এর ফলশ্রুতিতে পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা এলে ভারত ও চীনের দিকে আরও ঝুঁকে পড়তে পারে সরকার।

প্রতিবেদনের দ্বিতীয় অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী সশস্ত্র বাহিনীর সংঘর্ষ অব্যাহত থাকতে পারে। এ ছাড়া নব্য–উগ্রপন্থি গোষ্ঠী জামায়াতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারকিয়া পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘ঘাঁটি গেড়েছে’। এই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বাড়তে পারে। 

বাংলাদেশকে নিয়ে লেখা প্রতিবেদনের শেষ অংশে সংস্থাটি তুলে ধরেছে রোহিঙ্গা সংকটের কথা। এতে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা শিবিরগুলোয় আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও এর প্রতিদ্বন্দ্বী রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মতো অপরাধী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘাত বাড়তে পারে। এতে বেসামরিক মানুষ ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

এ ছাড়া দাতারা সহায়তা কমিয়ে দিলে রোহিঙ্গা শিবিরে খাদ্য ও কর্মসংস্থানের সংকট দেখা দিতে পারে। এতে রোহিঙ্গারা অপরাধ চক্র ও সশস্ত্র গোষ্ঠীতে জড়িয়ে পড়তে পারেন, যা বাড়তে পারে সহিংসতা। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা