প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৯:০৮ পিএম
আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৯:৩৬ পিএম
ফাইল ছবি
পদ্মা
সেতু চালু হওয়ায় বরিশালে বিমানের ফ্লাইট সংখ্যা ব্যাপক হারে কমেছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক
বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয়
সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয়
পার্টির সংসদ সদস্য নাসরিন জাহান রতনার প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আকাশ
পথে বরিশাল বিভাগে যাতায়াতের জন্য একমাত্র বিমানবন্দর হলো বরিশাল বিমানন্দর। পদ্মা
সেতু চালু হওয়ার ফলে এ বিমানবন্দরের ফ্লাইট সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পূর্বে দৈনিক
২৮টি ফ্লাইট পরিচালিত হতো। আর বর্তমানে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। বরিশাল
বিমানবন্দর ফ্লাইট পরিচালনার উপযোগী রয়েছে। এ বিমানবন্দরে ৬ হাজার ১০০ ফুট রানওয়ে,
৫০ হাজার বর্গফুট টেক্সিওয়ে, ৮ হাজার ৫০০ বর্গফুট টার্মিনাল ভবন ও অন্যান্য সুবিধাদি
রয়েছে।
তিনি
বলেন, বরিশাল বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমান উড্ডয়ন-অবতরণের ক্ষেত্রে স্বল্প ভিজিবিলিটি-রাত্রিকালীন
ফ্লাইট পরিচালনার লক্ষ্যে সিম্পল অ্যাপ্রোচ লাইটিং সিস্টেম সংস্থাপন করা হয়েছে। ফলে
কোনো এয়ারলাইন্স রাত্রিকালীন ফ্লাইট পরিচালনা করতে চাইলে তা পারবে।
একই
সংসদ সদস্যের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিমান বহরে নতুন প্রজন্মের ১৯টি উড়োজাহাজ
সংযোজন করা হয়েছে। নতুন আরও উড়োজাহাজ সংযোজনের প্রক্রিয়া চলছে। বিশ্বমানের অন টাইম
পারফরমেন্স (ওটিপি) অর্জিত হয়েছে। তা বজায় রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। যাত্রী সেবার
মান বৃদ্ধিতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থা প্রচলনের মাধ্যমে
যাত্রীদের টিকিট ক্রয়ের কষ্ট লাঘব করেছি। নতুন রুট সংযোজনের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধির প্রক্রিয়া
গতিশীল করা হয়েছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি টরেন্টো, নারিতা ও গুয়াংজু রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করা হয়েছে। যাত্রী ও কার্গো পরিবহন বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে হ্রাস করেছি। জনবলের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।