প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০০:১৬ এএম
আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১:০৯ এএম
পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। ফাইল ফটো
সারা দেশের সবখানে অনেক ক্ষেত্রে দুর্নীতির মাত্রা আগের তুলনায় বেড়েছে বলে মনে করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।
রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি বিল’ পাসের আলোচনায় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপন করেন। এর জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, ‘একটি বিষয়ে তারা (আলোচনায় অংশ নেওয়া সংসদ সদস্যরা) সবাই একমত, আমিও তাদের সঙ্গে একমত। সারা দেশের সর্বত্র, অনেক ক্ষেত্রে দুর্নীতির মাত্রা পূর্বের তুলনায় বেড়েছে। তুলনা বলতে আনুপাতিক হারে। যে পরিমাণ পাবলিক মানি (সরকারি টাকা) ৩০-৪০ বছর আগে ব্যয় হতো, তার তুলনায় ২-৩-৪ গুণ বেশি ব্যয় হচ্ছে। ফলে সুযোগসুবিধা... চুরির সুযোগসুবিধা বেড়েছে। আমি বলব এটা জাতীয় সমস্যা। আইনকানুন পাস করে, বর্তমান প্রযুক্তি ব্যবহার করে, জনমত তৈরি করে, জনগণের কাছে স্বচ্ছতা তুলে ধরে প্রচার করি, এর (দুর্নীতি) পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমে আসবে।’
এর আগে বিলের আলোচনায় গণফোরামের সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান বলেন, এখন টেন্ডারবাজি বন্ধ হয়েছে। কিন্তু তাতে রাষ্ট্রের কোনো লাভ হয়নি। একশ্রেণির আমলা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ বর্তমান টেন্ডারব্যবস্থাকে নিরাপদ মনে করে এবং এর আড়ালে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করছে। এর ভূরি ভূরি উদাহরণ আছে। যেমন পর্দা কেনা, বালিশ কেনা।
জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারি অভিযোগ করেন, আগে ১০ শতাংশ, ২০ শতাংশ দুর্নীতি হতো। আর এখন ১০ শতাংশ, ২০ শতাংশ কাজ হয়, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ দুর্নীতি হয়।