প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২২:২৩ পিএম
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২২:৩০ পিএম
ফাইল ছবি
সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) যেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের (ডিএসএ) মতো বাক্ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণের হাতিয়ারে পরিণত না হয়; তা নিশ্চিতে জোরালো ভূমিকা রাখতে মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের সব সদস্যের (এমপি) প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) টিআইবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’-এর খসড়াটি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও চর্চার আলোকে এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষিতে সম্পূর্ণরূপে ঢেলে সাজাতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ মন্ত্রী ও সব সংসদ সদস্যের জোরালো ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি। এ বিষয়ে টিআইবির পক্ষ থেকে প্রস্তুত করা ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ থেকে খসড়া সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ : তুলনামূলক পর্যালোচনা ও সুপারিশ’ শীর্ষক একটি কার্যপত্রও গতকাল সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ই-মেইলে পাঠানো হয়েছে।
কার্যপত্রের সঙ্গে পাঠানো এক বার্তায় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সিএসএ প্রণয়নের সিদ্ধান্তই প্রমাণ করে ডিএসএর ব্যবহার ও অপব্যবহারের মাধ্যমে বাক্ স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মতো মৌলিক মানবাধিকারের ব্যাপক লঙ্ঘনের ফলে জনমনে যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতাবোধ তৈরি হয়েছে সরকার তা অবসানের বাধ্যবাধকতার যথার্থতা সরকার উপলব্ধি করেছে।
যেসব কারণে ডিএসএ রহিত হচ্ছে সিএসএতে সেসব উপাদান থাকবে না বলে মানুষের মধ্যে প্রত্যাশার জন্ম নিয়েছে উল্লেখ করে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কিন্তু প্রস্তাবিত আইনের বিভিন্ন ধারার মাধ্যমে মত প্রকাশ, ভিন্নমত, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা চর্চা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে কর্তৃপক্ষের ইচ্ছামতো অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ রাখা হয়েছে, যা উদ্বেগজনক।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক চর্চা অনুযায়ী অপরিহার্য অনেক উপাদান নতুন আইনের খসড়ায় নেই। তাই খসড়া সংশোধনের মাধ্যমে সেসব উপাদান আইনে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে টিআইবি।