বিএমএ’র সাবেক নেতাদের বিবৃতি
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৭:৫৪ এএম
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১:০২ এএম
ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সংগৃহীত ফটো
শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকার প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক নেতারা। তারা ইউনূসের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক বিচারিক কার্যক্রমের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।
সংগঠনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. একেএম আজিজুল হক ও সাবেক মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান।
এতে বলা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের গর্ব। তিনি ক্ষুদ্র ঋণ, সামাজিক ব্যবসার তত্ত্বে সারা বিশ্বে রোল মডেল। বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের অবস্থান তিনি সমুজ্জ্বল করেছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম, কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেলসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত বিশ্ববিখ্যাত অর্থনীতিবিদ। আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, এই বরেণ্য ব্যক্তিত্বকে বর্তমান অগণতান্ত্রিক সরকার দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে হয়রানি করছে। তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক দখল, ব্যাংক হিসাব তলব, তদন্তের নামে প্রতিহিংসামূলক হয়রানি ও হেনস্থা করা হচ্ছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে আওয়ামী বুদ্ধিজীবীরা প্রতিনিয়ত মিথ্যাচারের মাধ্যমে এরকম সম্মানিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিষোদগার করে যাচ্ছে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি এরূপ হয়রানিমূলক আচরণের অন্তর্নিহিত কারণ এ দেশের মানুষ ও বিশ্ববাসীর কাছে মোটেই অস্পষ্ট নয় উল্লেখ করে বিএমএ‘র সাবেক নেতারা বলেন, আমরা মনে করি ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এভাবে অপদস্থ করার মাধ্যমে বিশ্বপরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সম্মান ও ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। প্রকারান্তরে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশকেই অসম্মানিত করা হচ্ছে। আমরা বিএমএ’র সাবেক নেতৃবৃন্দ অতিবিলম্বে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়রানিমূলক সব পদক্ষেপ ও সরকারসংশ্লিষ্ট সবার অশালীন বক্তব্য বন্ধ করা এবং এর মাধ্যমে দেশের ম্রিয়মাণ ভাবমূর্তি রক্ষার জোর দাবি জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে বিএমএ’র সাবেক নেতাদের মধ্যে যারা সই করেছেন তারা হলেন অধ্যাপক ডা. গাজী আবদুল হক, ডা. বায়েছ ভূঁইয়া, অধ্যাপক ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন, অধ্যাপক ডা. রফিকুল কবীর লাবু, ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. মঈনুল হাসান সাদিক, অধ্যাপক ডা. আজিজ রহিম, অধ্যাপক ডা. শামিমুর রহমান, ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, ডা. রফিকুল হক বাবলু, অধ্যাপক ডা. হারুন-আল-রশিদ, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মাহবুবুল আলম, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ডা. শাখাওয়াত হোসেন জীবন, ডা. শহিদুল আলম, ডা. মো. আবদুস সালাম, ডা. শহিদ হাসান, অধ্যাপক ডা. আবদুল মান্নান মিয়া, ডা. মো. আবদুল কুদ্দুস, অধ্যাপক ডা. এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, অধ্যাপক ডা. সুমন নাজমুল হোসেন, ডা. মো. ওবায়দুল কবীর খান, ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ডা. এমএ সেলিম, ডা. ওয়াসিম হোসেন, অধ্যাপক ডা. মওদুদুল আলমগীর পাভেল, ডা. শাহ মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, অধ্যাপক ডা. সাইদুর রহমান, ডা. মোহাম্মদ আলী, ডা. একেএম মুসা, ডা. মো. আক্তারুজ্জামান, ডা. আমিরুজ্জামান খান লাভলু, ডা. শাহ্ মো. হাফিজুর রহমান মুজাহিদ, ডা. আসফারুল হাবীব রোজ, ডা. মো. আবদুল মুত্তালিব, ডা. মোফাখ্খারুল ইসলাম, ডা. খায়রুল ইসলাম, ডা. প্রভাতচন্দ্র বিশ্বাস, ডা. খালেকুজ্জামান বাদল, ডা. হাসান জাফর রিফাত, ডা. রেহান উদ্দিন খান, ডা. এমএ কামাল, ডা. মো. আবুল কেনান, ডা. সাইফ উদ্দিন নেছার আহমেদ তুষান, ডা. মজিবুল হক দোয়েল, ডা. সায়েফউল্লাহ, ডা. নিখিলেন্দু, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান শামীম, ডা. আবু হাসান লাল্টু, ডা. মো. ওয়াসিম, ডা. মো. আবুল কালামসহ বিএমএ’র শতাধিক সাবেক নেতা।