× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

অর্থ পাচারকারীর বিরুদ্ধে সরকার আইন প্রয়োগ করতে চায় না : হাসনাত কাইয়ুম

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৪:১৩ পিএম

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৪:২১ পিএম

অর্থ পাচারকারীর বিরুদ্ধে সরকার আইন প্রয়োগ করতে চায় না : হাসনাত কাইয়ুম

রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম বলেছেন, ‘সরকার চায় না অর্থ পাচারকারীর বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ হোক। লুটপাটের কারণেই দেশে গণতন্ত্র নেই। তাই আমরা চাই পাচার হওয়া টাকা দেশে ফিরিয়ে আনা হোক। বিদেশে গিয়ে পরিশ্রম করে বৈধ পথে প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠায়। অথচ অবৈধ পথে এর চাইতে বেশি টাকা পাচার করা হয়।’

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন কর্তৃক আয়োজিত ‘বিদেশে পাচারকৃত দেশীয় অর্থ-সম্পদ ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বানে’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশের জন্য অর্থ পাচার এক মারাত্মক সমস্যা উল্লেখ করে লিখিত বক্তব্যে দলের রাজনৈতিক সমন্বয়ক ফরিদুল হক বলেন, ‘কিন্তু বছরে কত টাকা পাচার হয় তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা হিসাব কারও কাছে নাই।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘সরকার চায় না এ হিসাব থাকুক। তারা এসব পাচারের হিসাব এবং তথ্য-উপাত্ত সচেতনভাবে নষ্ট করে দিয়েছে এবং দিচ্ছে। সরকারের এইসব কাজের অনেক সাক্ষ্য প্রমাণ আছে। তার সাম্প্রতিক উদাহরণ হলো সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগকে ব্যবহার করে একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তদন্ত না করতে নির্দেশনা দেওয়া।’

ফরিদুল হক আরও বলেন, ‘দেশের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট পাচার বন্ধে ২০১৮ সালের রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির তথ্য ডিএফআই-কে সরবরাহ করা বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে তাদের থেকে কোনো হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না।’

‘আমাদের সব অর্থমন্ত্রীই দাবি করে আসছেন যে, দেশ থেকে যা পাচার হয়েছে তার পরিমাণ অত্যন্ত নগণ্য। অথচ ২০২০ সালের আগস্ট মাসে পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে দেখা যাচ্ছে যে, গত ৩ বছরে ৩০টি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান প্রায় ৮২১ কোটি টাকা পাচার করেছে,’ যোগ করেন তিনি।

অর্থ পাচার বন্ধে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন তিনটি প্রস্তাব দিয়েছে। সেগুলো হলো-

লুটপাট ও পাচার বন্ধের সব আইন-কানুন সংস্কার করতে হবে; পাচার ও লুটপাটবিরোধী আন্তর্জাতিক যেসব আইন, কনভেনশন, প্রতিষ্ঠান রয়েছে, বাংলাদেশকে সেসব আইন এবং কনভেনশন সার্টিফিকেশন করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যারা বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তারাসহ অন্যান্য সব দেশকে বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া সম্পদ অনুসন্ধান, চিহ্নিত ও বাজেয়াপ্ত করতে হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা