প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৩ ২২:৩৯ পিএম
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক। সংগৃহীত ছবি
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যেন কেউ বিকৃত করতে না পারে তাই মুক্তিযোদ্ধাদের গল্প রেকর্ড করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক।
রবিবার (২৬ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বিএমএ অডিটোরিয়ামে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক উপকমিটি আয়োজিত শোকসভায় তিনি এ কথা জানান।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধ উপকমিটি থেকে বড় মহাসমাবেশ করার আহ্বান জানান কমিটির নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা উপকমিটির চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মো. রশিদুল আলম, নরসিংদী বিএসএফের কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল হক।
মুক্তিযোদ্ধামন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এখন ভালো, মুক্তিযোদ্ধারা কেন খারাপ অবস্থায় জীবন-যাপন করবেন। তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী বেশকিছু পদক্ষেপ নিবেন। মুক্তিযোদ্ধাদের আয় কীভাবে বাড়ানো যায়, তাদের প্রাপ্য সম্মান কীভাবে দেওয়া যায় তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে। এছাড়াও যুদ্ধের ইতিহাস যেন বিকৃত না হয় তাই প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে তাদের যুদ্ধের গল্পগুলো রেকর্ড করে সংরক্ষণ করা হবে।
তিনি বলেন, জিয়া পরিবার মন থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি। জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তিনি পাকিস্তানিদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। জাতির পিতাকে হত্যা করিয়েছেন এই জিয়াউর রহমান। তারই ছেলে তারেক রহমান গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। অথচ ফখরুল বলেন, জিয়া পরিবারের সবাই নাকি যোদ্ধা। জিয়াউর রহমানের ছেলেও নাকি যুদ্ধ করেছেন; তারা শিশু যোদ্ধা। খালেদা জিয়া যুদ্ধের সময় ক্যান্টনমেন্টে ছিলেন তা সবাই জানে, আর বেশিকছু বললাম না।
মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু তিন বছর শাসন করেছেন, তার কন্যা ১৯ বছর শাসন করেছেন। আর জিয়ার পরিবার ২৯ বছর শাসন করেছেন। এতগুলো বছরে এদেশে লুটপাট করে গেছেন আর এখন দেশে উন্নয়ন হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমাদের চার মাসের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে, তা আটকানোর জন্য নানাভাবে ষড়যন্ত্র করেছে প্রতিপক্ষ। এর মধ্যে নির্বাচন না হলে সরকার অবৈধ হয়ে যাবে। উন্নয়নকে ধরে রাখতে আবার এ সরকারকেই ক্ষমতায় আনতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ভাসানীর হক কথা ও জাসদের গণকন্ঠ অপপ্রচার চালিয়েছিল বাসন্তী শাড়ি পরতে পারে না। বাসন্তী নাকি অভাবের জাল গায়ে পরেছিল। সেসময় জালের দাম ছিল ৬ টাকা আর কাপড়ের দাম ছিল ৪ টাকা। কেউ কাপড় না কিনে বেশি টাকার জাল পরে থাকবেন কেন? অপপ্রচার চালিয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছিল। তখন জিয়া সেক্টর কমান্ডার ছিলেন।