প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৩ ২০:১৫ পিএম
উপকূলীয় অঞ্চলের ১২ জেলার ৪০টি উপজেলায় একবার ব্যবহার করে ফেলে দেওয়া হয় (সিঙ্গেল ইউজ) প্লাস্টিকের এ ধরনের ব্যবহার বন্ধে তিন বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।
তিনি বলেন, সমুদ্র সৈকত ও তার কাছাকাছি হোটেল-মোটেলে এসব প্লাস্টিকের বিভিন্ন আইটেম পর্যায়ক্রমে বন্ধের বিষয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) ‘প্লাস্টিক দূষণ বন্ধে করণীয় নির্ধারণ’ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণায় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী ও পরিবেশ সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ।
বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) সঞ্জয় কুমার ভৌমিক এবং অধিদপ্তরের পরিচালক রাজিনারা বেগম।
শাহাব উদ্দিন বলেন, ২০৩০ সাল নাগাদ ৫০ শতাংশ ‘ভার্জিন ম্যাটেরিয়াল’ ব্যবহার হ্রাস করা, ২০২৬ সালের মধ্যে ৯০ শতাংশ সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করা, ২০২৫ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্য পুন:চক্রায়ন নিশ্চিতকরা, ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপাদন হ্রাস করার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও এক্সেন্ডেড প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি বাস্তবায়নে গাইডলাইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সকলে একসাথে কাজ করলে প্লাস্টিক দূষণরোধে সফল হওয়া যাবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সরকার প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘মাল্টিসেক্টোরাল একশন প্ল্যান ফর সাসটেইন্যাবল প্লাস্টিক ম্যানেজমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ বাস্তবায়ন করছে। অবৈধ পলিথিন শপিং ব্যাগ উৎপাদন, পরিবহন, বিক্রয়, মজুদদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সাথে সাথে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সরকারের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ, এনজিও, প্রাইভেট সেক্টর, পরিবেশবাদী সংগঠন এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াসহ সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।