কর্মশালায় তথ্য
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৩ ২১:৩০ পিএম
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত হয়েছে। প্রবা ফটো
চাষাবাদ ও খামারি পর্যায়ে সবচেয়ে কম খাদ্য ব্যয় হয় মাছ চাষে। এক কেজি গরুর মাংস উৎপাদনে ব্যয় হয় ৮ কেজি খাবার। এক কেজি মুরগির মাংসে ব্যয় আড়াই কেজি খাবার। আর এক কেজি মাছ উৎপাদনে মাত্র ২ কেজি খাবারের প্রয়োজন হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৩ উপলক্ষে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আয়োজিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে মৎস্যখাত’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
বিএফআরআইর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে মৎস্যখাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। জাতীয় অর্থনীতিতে, বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াবার সমৃদ্ধ-স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে মৎস্য খাতের ভূমিকা হবে অনন্য-অসাধারণ। স্মার্ট ব্যবস্থা প্রয়োগের জন্য মৎস্যখাতে বিশাল সুযোগ রয়েছে। সমুদ্র থেকে শুরু করে উন্মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য খাতে স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। মাছের উৎপাদন, আহরণ, পরীক্ষা, বিপণন ও বহুমুখী ব্যবহারে স্মার্ট পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ, অতিরিক্ত সচিব আব্দুল কাইয়ূম, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্য বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের পরিচালক জিয়া হায়দার প্রমুখ।মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফআরআই’র ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মশিউর রহমান।
মূল প্রবন্ধে মশিউর রহমান মৎস্য চাষে স্মার্ট পদ্ধতির ওপর আলোকপাত করেন।
তিনি বলেন, ‘গত ১৪ বছরে গবেষণা ও সংরক্ষণে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে ৮৯ শতাংশ। সামুদ্রিক ৪২৬টি মাছের ক্যাটালগিং করা হয়েছে। আর উপকূলীয় মৎস্যসম্পদের ২০০ প্রজাতির ডিএনএ বারকোডিং করা সম্ভব হয়েছে।’