প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২২ ২১:৫৬ পিএম
আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২২ ১৩:০১ পিএম
ফাইল ফটো
জাতীয় গ্রিডে ত্রুটির কারণে একযোগে রাজধানী ঢাকা, বন্দরনগরী চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, সিলেট অঞ্চলসহ দেশের অধিকাংশ জায়গায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দেয়।
মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে এমন ঘটনায় রাত ৮টা পর্যন্ত অন্ধকারে ছিল রাজধানীসহ দেশের অনেক এলাকা। তবে ৪ ঘণ্টা পর ঢাকার কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। উত্তরা, গুলশান, বারিধারা, মিরপুরসহ কিছু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর বিদ্যুৎ চলে আসে। রাত ৯টার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
জাতীয় গ্রিডের এ ত্রুটির বিষয়টি পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রধান দুই গ্রিড আমিনবাজার ৪০০/২৩০ কিলোভোল্ট ও ২৩০০/১৩৩ কিলোভোল্ট এবং কালিয়াকৈর ৪০০/২৩০ কিলোভোল্ট উপকেন্দ্রে ত্রুটির কারণে এ অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা যায়। একই সময় বিবিয়ানা ৪০০/২৩০ কিলোভোল্ট উপকেন্দ্রেও একই ধরনের ত্রুটির কারণে সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিপর্যয় শুরু হয়।
পিজিসিবি বলছে, বিবিয়ানা উপকেন্দ্রে ত্রুটির (ফল) কারণে জাতীয় সঞ্চালনব্যবস্থার পুরো পূর্বাঞ্চলে (যমুনা নদীর পূর্বপারে) এ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। তারা বলছে, আমিনবাজার ও কালিয়াকৈর উপকেন্দ্র দুটির ত্রুটি সমাধান করা গেলেও এখন পর্যন্ত (রাত ৮টায়) মেরামত সম্ভব হয়নি বিবিয়ানা উপকেন্দ্রের ত্রুটি। তবে কী কারণে এমন বিপর্যয় ঘটেছে তা চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পিজিসিবি।
পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট) মো. মাসুম আলম বকসী প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘জাতীয় গ্রিডে ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটেছে। আমরা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছি। তবে সমস্যাটার উৎপত্তি কোন জায়গায় তা এখনও শনাক্ত করতে পারিনি। বিদ্যুৎব্যবস্থা স্বাভাবিক করার কাজ চলছে। সমাধান হলে আমরা বলতে পারব সমস্যাটা কোথায় ছিল।’
হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি চরমে
বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে দেশের চার বিভাগে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ), ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ল্যাবএইড, স্কয়ার, এভারকেয়ারসহ সব হাসপাতালে রোগীদের বিপাকে পড়তে হয়।
দেশের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ঢাকা মেডিকেল কলেজে রোগীরা বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো সম্ভব হচ্ছিল না। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের রোগীরা অন্ধকারের মধ্যে অবস্থান করেন। তীব্র গরমের কারণে অনেকে বারান্দা ও চত্বরে সময় কাটান। তবে জেনারেটরের মাধ্যমে কয়েকটি ভবনে বিদ্যুৎ চালু রাখা হয়।
ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে স্বাভাবিক সেবা কার্যক্রমে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে। তবে বিশেষ ব্যবস্থায় জেনারেটরের সাহায্যে জরুরি অস্ত্রোপচার, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আইসিইউ সেবা চালু রাখা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নজরুল ইসলাম খান জানান, বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে তাদের হাসপাতালে রোগীরা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েন। বিশেষ করে ওয়ার্ডের রোগীদের গরমের কারণে বেশি কষ্ট পোহাতে হয়েছে। তবে আইসিইউ, সিসিইউ, ডায়ালাইসিস, জরুরি অস্ত্রোপচার কক্ষে জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো নিয়াতুজ্জামান জানান, ওয়ার্ডের সেবায় একটু ঘাটতি হচ্ছে। সব ফ্যান ও লাইট একসঙ্গে চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে রোগীদের কষ্ট হচ্ছে। হাসপাতালে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন দুটি জেনারেটরের মধ্যে একটি বন্ধ রেখে অন্যটি চালানো হচ্ছে। জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে ৩০০ লিটার তেল মজুদ করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুৎ না এলেও বিশেষ সেবা অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক ডা. খলিলুর রহমান জানান, বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে শুধু সোহরাওয়ার্দী নয়, যেসব জায়গায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় হয়েছে, সেসব জায়গার কোনো হাসপাতালেই স্বাভাবিক সেবা অব্যাহত রাখা যায়নি। জরুরি সেবা ছাড়া সব হাসপাতালেই বিঘ্ন ঘটেছে। তাদের হাসপাতালেও জরুরি সেবাগুলো জেনারেটরের মাধ্যমে স্বাভাবিক রাখা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন পরিচালক।
ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন
রাজধানীর শ্যামপুরের সালাম স্টিল অ্যান্ড রি-রোলিং মিলের স্বত্বাধিকারী মো. আবদুস সালাম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পর থেকে আমার ফ্যাক্টরির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এমন ভারী ফ্যাক্টরি ক্যাপটিভ (গ্যাসচালিত জেনারেট) বিদ্যুতের মাধ্যমে চালানো সম্ভব নয়। তাই বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় পুরো উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।’
এদিকে টানা বিপর্যয়ের কারণে আবাসিক ভবনগুলোর জেনারেটরের জ্বালানি সংকটও দেখা দিয়েছে। যার প্রভাব দেখা গেছে রাজধানীর অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে। সরেজমিন দেখা যায় আসাদগেট এলাকার সোনার বাংলা ও তালুকদার ফিলিং স্টেশনে জেনারেটরের জ্বালানি (ডিজেল ও পেট্রোল) কিনতে আসা গ্যালন হাতে মানুষের দীর্ঘ লাইন।
এখানে কথা হয় মোহাম্মদপুর চন্দ্রিমা আবাসিকের একটি বাড়ির কেয়ারটেকার শফিকুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিনের লোডশেডিংয়ের কারণে আমাদের বাসায় ২০ লিটার পর্যন্ত ডিজেল রিজার্ভ থাকে। কিন্তু আজ অনেক সময় বিদ্যুৎ না থাকায় রিজার্ভ শেষ হয়ে গেছে। রাতের ব্যবস্থা করার জন্য ডিজেল নিতে এসেছি। ঢাকা উদ্যানের পাশের ফিলিং স্টেশনের ডিজেল শেষ তাই এখানে এসেছি।’
আসাদগেটের এ দুই ফিলিং স্টেশনের মতো একই চিত্র নিউমার্কেট ও নীলক্ষেতের ফিলিং স্টেশন দুটিরও। মাজার রোডের সোহাগ ফিলিং স্টেশনের সেলসম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের পাম্পে মূলত পরিবহনগুলোর চাপ বেশি থাকে। বিদ্যুৎ না থাকায় নিজস্ব জেনারেটরে কিছু সময় বিরতি দিয়ে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। যখনই তেল বিক্রি বন্ধ করা হচ্ছে তখনই পাম্পের ভেতরে ও বাইরের রাস্তায় লম্বা যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।’
অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত
দুপুর ২টায় শুরু হওয়া এমন বিপর্যয়ের ফলে দেশের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সচিবালয়, মতিঝিলের অধিকাংশ রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্মদিবসের বাকি ১ ঘণ্টা স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে পারেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেসরকারি এক ব্যাংকের ব্যবস্থাপক জানান, দিনের শেষ ১ ঘণ্টা কোনো লেনদেনই করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ না থাকায় আমাদের ব্যাংকের অধিকাংশ এটিএম বুথেরও ইমারজেন্সি লাইন অফ হয়ে গেছে। ফলে সেগুলোরও সেবা বন্ধ রয়েছে।’
টেলিযোগাযোগ সেবায় বিঘ্ন
দেশের অধিকাংশ এলাকা বিদ্যুৎহীন থাকায় টেলিযোগাযোগ সেবায়ও বিঘ্ন ঘটেছে। গ্রাহকরা জানিয়েছেন, মোবাইল ইন্টারনেট ও মেসেজ পাঠাতে সমস্যা হচ্ছে; কিছু ক্ষেত্রে কল করতেও আগের চেয়ে বেশি সময় লাগছে।
মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (অ্যামটব) বলেছে, বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন সমস্যা হচ্ছে। সাময়িক সময়ের জন্য টেলিযোগাযোগ সেবা বিঘ্নিত হয়েছে। এ অসুবিধার জন্য অ্যামটবের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
টেলিযোগাযোগ নির্বিঘ্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বেজ ট্রান্সিভার স্টেশন (বিটিএস), যা মোবাইল টাওয়ার নামে পরিচিত। কোনো কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে জেনারেটর দিয়ে ২ থেকে ৫ ঘণ্টা বিটিএস চালু রাখা যায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে তখন জেনারেটর দিয়েও বিটিএসের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয় না।
দোকান থেকে মোমবাতি উধাও
রাজধানী ঢাকার বাজারে মোমবাতির সংকট দেখা দিয়েছে। ১০ টাকার মোমবাতি ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে বিকাল ৪টার পর রাজধানীর অধিকাংশ এলাকায় বাড়তি দাম দিয়েও মোমবাতি পাওয়া যায়নি। দোকানিরা বলছেন, মজুদ শেষ। মিরপুরের টোলারবাগ এলাকার বাসিন্দা শেখ ওবায়েদ জানান, বিদ্যুৎ না আসায় বাসার জন্য মোমবাতি কিনতে ওই এলাকার অধিকাংশ দোকানে গেলেও তা পাওয়া যায়নি।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ
জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে সবাইকে ধৈর্যধারণের অনুরোধ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। গতকাল সন্ধ্যায় ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে প্রতিমন্ত্রী এ অনুরোধ জানিয়েছেন।
ফেসবুক পোস্টে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় গ্রিড ট্রিপ করার কারণে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ পূর্বাঞ্চলের বড় একটি এলাকায় আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ২টা ৪ মিনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। আকস্মিক এ সমস্যা সমাধানে বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকৌশলীরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল হয়েছে। আশা করি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।’
পূজামণ্ডপে সতর্ক ছিল পুলিশ
জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে রাজধানী ঢাকার বিরাট এলাকা কয়েক ঘণ্টার জন্য অন্ধকারে ছিল। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পূজামণ্ডপগুলোয় সতর্ক ছিল পুলিশ।
এর আগে সন্ধ্যায় ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছেন, পূজামণ্ডপগুলোয় বাড়তি সতর্কতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় গ্রিডের একটি সঞ্চালন লাইনে বিভ্রাট দেখা দেওয়ায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহসহ দেশের বড় এলাকা বিদ্যুৎহীন মঙ্গলবার দুপুর থেকে।
ঢাকার বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও বহুতল ভবনে জেনারেটর থাকলেও দীর্ঘ সময় চলতে গিয়ে ডিজেল ফুরিয়ে যাওয়ায় সন্ধ্যার পর অনেক এলাকায় অন্ধকার নেমে এসেছে। এর মধ্যেই ঢাকা মহানগরীতে ২৪২টি পূজামণ্ডপে চলছে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজা।
গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ পলকের
বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে গুজব না ছড়িয়ে সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানিয়েছেন। আরেক পোস্টে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি লেখেন, ‘ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চলে বিদ্যুৎ রিস্টোর হতে শুরু করেছে। কিছুক্ষণ আগেই সিদ্ধিরগঞ্জ ও ঘোড়াশালের কিছু এলাকায় এবং ঢাকার বঙ্গভবনে বিদ্যুৎ রিস্টোর হয়েছে। ঢাকার বেশিরভাগ এলাকায় স্বাভাবিক হবে কিছু সময়ের মধ্যেই।’
প্রবা/রাই/আরএস/জেও