প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২২ ২০:২৫ পিএম
আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২২ ১১:২৭ এএম
ঢাকাসহ চার বিভাগে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মোমবাতির অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হওয়ায় সংকট দেখা দিয়েছে। বিভাগীয় শহরগুলোয় হন্যে হয়ে খুঁজেও অনেকেই মোমবাতি পাননি বলে জানা গেছে।
দোকানিরা বলছেন, স্টকে যা ছিল তা সন্ধ্যার আগেই শেষ হয়ে গেছে।
জাতীয় গ্রিডে সমস্যার কারণে দুপুর ২টার পর বিদ্যুৎ বিভ্রাট শুরু হয় ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রামে। এতে মোমবাতির চাহিদা বেড়ে যায়।
মোমবাতি না পেয়ে চার্জার লাইট দিয়ে অনেকে প্রয়োজন মিটিয়েছেন। আবার শহরগুলোয় জেনারেটর চালিয়ে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে দেখা গেছে। যাদের বাসায় জেনারেটর বা চার্জার লাইট নেই বিপাকে পড়েছেন তারা। অন্ধকারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পার করেছেন অনেকেই।
তবে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে সন্ধ্যার আগেই বিদ্যুৎ চলে এসেছে বলে জানা গেছে।
রাজধানীর দক্ষিণাংশেও সন্ধ্যা ৭টার কিছু আগেই সচল হয় বিদ্যুৎ। এ ছাড়া চট্টগ্রামের কোনো কোনো এলাকায় সাড়ে ৭টার আগে চালু হয়েছে বিদ্যুৎ।
সরেজমিন দেখা গেছে, রাজধানীর শান্তিনগর, ফকিরাপুল ও সেগুনবাগিচায় সন্ধ্যার আগে অনেকেই মোমবাতি কিনতে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু অধিকাংশ দোকানেই মোমবাতি পাননি ক্রেতারা।
শান্তিনগরে মোমবাতির খোঁজ করতে আসা সিয়াম সামি নামে একজন বলেন, ‘তিন-চারটি দোকান ঘুরেও মোমবাতি পাইনি। শেষে একটি দোকানে মোমবাতি পেয়েছি। তা-ও দোকানি দুটির বেশি দেননি।’
চট্টগ্রামের ষোলশহরের দোকানদার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘স্বাভাবিক সময়ে খুব বেশি মোমবাতি বিক্রি হয় না। সেজন্য রাখিও কম। কিন্তু হঠাৎ করেই এখন চাহিদা বেড়েছে। শনিবার চার প্যাকেট মোমবাতি কিনে রেখেছিলাম, সেগুলো দুপুরেই বিক্রি হয়ে গেছে। এখন আর মোমবাতি নেই।’