× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসেও ফিরে যাননি শিক্ষকরা, দশম দিনে গড়াল আন্দোলন

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৩ ১৯:২২ পিএম

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৩ ১৯:৪৫ পিএম

বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকরা। প্রবা ফটো

বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকরা। প্রবা ফটো

বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি বিবেচনার জন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে দুটি কমিটি করার আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এ ছাড়া করোনার শিখন ঘাটতি মেটাতে বাতিল করা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রীষ্মকালীন ছুটি। তারপরও ঢাকা ছেড়ে যাননি জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকরা।

বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) দশম দিনের মতো আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। শিক্ষকরা বলছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা এখান থেকে যাবেন না।

বিটিএর সাধারণ সম্পাদক শেখ কাওছার আহমদ বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভালো কোনো সিদ্ধান্ত আসবে সেই আশায় ছিলেন সবাই, কিন্তু আসে নাই। আমাদের দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী পজিটিভ। এজন্য তিনি দুটি কমিটি করতে বলেছেন। আমরা দাবি করেছিলাম, এসব কমিটিতে আমাদের সংগঠনের নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করতে, কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী সেটি করবেন না। তাহলে আমরা কার ওপর আস্থা রাখব? তাই আমরা চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যদি পাঁচ মিনিট কথা বলতে পারি, তাহলে তিনি আমাদের বিষয়টি বুঝবেন। তিনি জাতীয়করণের ঘোষণা দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পাওয়ার আগ পর্যন্ত আন্দোলন বন্ধ করব না।’ 

এ দিন সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই শিক্ষকদের স্লোগানে উত্তাল ছিল প্রেস ক্লাব এলাকা। প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে কদম ফোয়ারা পর্যন্ত অবস্থান নিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। শিক্ষকদের টানা এই অবস্থানের কারণে অচল হয়ে পড়েছে প্রেস ক্লাবের সামনের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি। শিক্ষক নেতারাও তাদের বক্তব্যে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিচ্ছেন।

তারা জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মাত্র ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতা, ১ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া এবং ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান। অথচ একই কারিকুলামের অধীনে একই কাজে নিয়োজিত থেকেও আর্থিক সুবিধার ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছে পাহাড়সম বৈষম্য।

তারা আরও বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বেতন স্কেল সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বেতন স্কেলের এক ধাপ নিচে প্রদান করা হয়। তা ছাড়া সহকারী প্রধান শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল না দেওয়ায় উচ্চতর স্কেলপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের বেতন স্কেল ও সহকারী প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল সমান। এতে সহকারী প্রধান শিক্ষকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ রয়েছে।

এদিকে জাতীয় নির্বাচনের আগে বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। বুধবার আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে অনেকেই বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করে থাকে। এই সরকারের সময়ে শিক্ষকদের কোনো দাবি আদায়ে আন্দোলন করতে হয় না। আমরা দুটি কমিটি করে দেব, তারা এসব বিষয় নিয়ে গবেষণা করবে।’

তিনি আরও বলেন, ’আজকে যারা আন্দোলনে আছেন, তারা কি আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবেন? যদি না পারেন, তাহলে বলবএমন পরিস্থিতির দিকে বিষয়টিকে নিয়ে যাবেন না, যা খারাপ অবস্থার সৃষ্টি করে। তাই তাদের বলবআপনারা ঢাকা থেকে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যান, ক্লাসে ফিরে যান।’

গত ১১ জুলাই থেকে প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষকরা। শিক্ষকদের এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে রবি (১৬ জুলাই) ও সোমবার সারা দেশে ক্লাস বন্ধ রেখে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা