প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২২ ১১:১৬ এএম
আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২২ ১১:৪০ এএম
সাংবাদিক তোয়াব খান। ফাইল ফটো
দৈনিক বাংলার প্রয়াত সম্পাদক, বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
সোমবার (৩ অক্টোবর) বিকালে দেশবরেণ্য এই সাংবাদিকের দাফন হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে দৈনিক বাংলার কার্যালয়, জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং গুলশান আজাদ মসজিদে তার নামাজে জানাজা হবে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শনিবার দুপুরে ৮৮ বছর বয়সে মারা যান শব্দসৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক তোয়াব খান।
মরহুমের ছোট ভাই ওবায়দুল কবীর জানিয়েছেন, সোমবার সকাল ১০টায় তেজগাঁওয়ে দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার কার্যালয়ে তোয়াব খানের মরদেহ নেওয়া হবে, সেখানে প্রথম জানাজা হবে। এরপর মরদেহ নেওয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সবার শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ রাখা হবে।
এরপর প্রবীণ সাংবাদিক তোয়াব খানের মরদেহ নেওয়া হবে জাতীয় প্রেস ক্লাবে। রাখা হবে বেলা ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত। সেখানে তার দ্বিতীয় জানাজা হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে মরদেহ নেওয়া হবে গুলশানে নিজ বাসভবনে।
বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা শেষে এই সাংবাদিককে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।
দেশ স্বাধীনের পর দৈনিক পাকিস্তান থেকে বদলে যাওয়া দৈনিক বাংলার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তোয়াব খান। ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন তোয়াব খান। প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন তোয়াব খান। সে সময় তার আকর্ষণীয় উপস্থাপনায় নিয়মিত প্রচার হয় ‘পিন্ডির প্রলাপ’ নামের অনুষ্ঠান।
২০১৬ সালে একুশে পদক পান তোয়াব খান। একই বছর তাকে সম্মানিত ফেলো নির্বাচন করে বাংলা একাডেমি।
দৈনিক জনকণ্ঠের শুরু থেকে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত পত্রিকাটির উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন তিনি। এরপর নতুন আঙ্গিক ও ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব নেন।
১৯৩৪ সালের ২৪ এপ্রিল সাতক্ষীরার রসুলপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোয়াব খান।
প্রবা/এইচকে/জেও