বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৩ ২০:৫৯ পিএম
আপডেট : ২১ জুন ২০২৩ ২১:১৬ পিএম
প্রয়াত চিত্রনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক নায়ক হওয়ার পরও তিনি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাননি উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মল হক বলেছেন, তিনি জনগণের কাছে মিশে গিয়েছিলেন। দেশে উগ্র সাম্প্রদায়িকতা রয়েছে। সেই সাম্প্রদায়িকতাকে সাংস্কৃতিক নানা কাজের মাধ্যমে নির্মূলের চেষ্টা করেছেন।
বুধবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে প্রয়াত সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে বাঙালি সাংস্কৃতিক বন্ধন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে চিত্রনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের অভিনয় ও নানামুখী কাজের ওপর একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। গান পরিবেশন করে বাঙালি সাংস্কৃতিক বন্ধনের শিল্পীরা।
সংগঠনটির সভাপতি সাইদুর রহমান সজলের সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি আখতারুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র চিত্রগ্রাহক সংস্থার সভাপতি আব্দুল লতিফ বাচ্চুসহ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিল্পীরা বক্তব্য দেন। বক্তারা নায়ক ফারুকের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন।
মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী মোজাম্মল হক বলেন, ’ফারুক গণমানুষের নেতা ছিলেন, গণমানুষের কথা ভাবতেন। নায়ক হওয়ার পরও তিনি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাননি, তিনি জনগণের কাছে মিশে গিয়েছিলেন। তিনি আরও বেঁচে থাকলে মানুষের জন্য, এলাকা, দেশ, সমাজকে আরও অনেক কিছু দিয়ে যেতে পারতেন। তারপরও তিনি যা দিয়ে গেছেন তা কোনো অংশেই কম নয়। তিনি তার কর্মের মাধ্যমে আমাদের মাঝে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবেন এবং সিনেমা অঙ্গনে নতুনদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।’
অসাম্প্রদায়িক চেতনার পক্ষে ফারুকের সাংস্কৃতিক কাজের প্রশংসা করে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, ’দেশে উগ্র সাম্প্রদায়িকতা রয়েছে। ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে একধরনের ধর্ম ব্যবসায়ী যেভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়, সে অবস্থা বাঙালি জাতীয়তাবাদকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সাংস্কৃতিক বন্ধন প্রয়োজন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ‘বাঙালি সাংস্কৃতিক বন্ধন’ বড় ভূমিকা পালন করবে। এ দেশের সাম্প্রদায়িকতাকে সাংস্কৃতিক মাধ্যমে নির্মূলের চেষ্টা করেছেন তিনি।‘