রাশেদ মেহেদী
প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৩ ০৮:৩০ এএম
আপডেট : ০৮ জুন ২০২৩ ১২:১৮ পিএম
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ‘নির্বাচনকালীন’ সরকারের বিষয়টি এখনই সরব হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে। এই ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জোর তৎপরতাও এরই মধ্যে লক্ষণীয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের লক্ষ্যে তাদের বিশেষ সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠানের বিষয়ে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস। প্রকৃতপক্ষে বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র তার রাজনৈতিক প্রভাববলয়কে শক্তিশালী করতে বিশ্বব্যাপী জোরালো তৎপরতা চালাচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ছোট-বড় এবং আঞ্চলিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে গভীর নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন নিয়েও অতীতের তুলনায় এবার অনেক বেশি তৎপর হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রে এসব তথ্য ও পর্যবেক্ষণ পাওয়া গেছে।
সূত্র আরও জানায়, ঢাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকের সারাংশ নিয়ে শিগগিরই রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস ওয়াশিংটনে যাবেন এবং ফিরতে পারেন নতুন নির্দেশনা নিয়ে।গত কয়েক দিনে বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন পিটার হাস। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার এক দিনেই অনেকগুলো বৈঠক করেন। যার মধ্যে সকালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন্। এরপর দুপুরে বৈঠক করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে। এর আগে গত রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক হয় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের।ওইদিন জাপানের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।
বিদেশি কূটনীতিকদের সাম্প্রতিক তৎপরতা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের এই তৎপরতা আরও বাড়বে।
সংশ্লিষ্ট পশ্চিমা কূটনৈতিক সূত্র যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গির সার্বিক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরতে গিয়ে জানায়, বারাক ওবামার আমলে বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, নির্বাচন প্রক্রিয়া ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব এবং নানামুখী তৎপরতা স্পষ্ট ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকার বিশ্ব রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাববলয়কে অনেকটাই সংকুচিত করে ফেলে। ফলে কোন দেশে কীভাবে সরকার গঠন হচ্ছে তা নিয়ে ওই আমলে যুক্তরাষ্ট্রকে খুব একটা তৎপরতা চালাতে দেখা যায়নি। প্রকৃতপক্ষে ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বমঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে প্রাধান্য দিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের বিষয়টিকে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্ব দেওয়ার নীতি গ্রহণ করেছিল। এর ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চীনের বড় উত্থান ঘটে। জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র আবারও বিশ্ব রাজনীতিতে নিজেদের প্রভাব শক্তিশালী করার চেষ্টা চালাচ্ছে। ডেমোক্র্যাটদের বিবেচনায় ট্রাম্পের নীতির কারণে আন্তর্জাতিক পরিসরে যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক নীতির প্রভাব খর্ব হয়েছে এবং বিপরীতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চীন-রাশিয়া সমর্থক কর্তৃত্ববাদী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর ফলে সার্বিকভাবে রাজনীতি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমেছে। বিশেষ করে ইউক্রেন সংকট শুরুর পর ট্রাম্প নীতির ফল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাববলয় আগের চেয়ে দুর্বল হওয়ার বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে এসেছে। এ কারণেই বাইডেন প্রশাসন সেটি শক্তিশালী করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
সূত্র জানায়, এক্ষেত্রে বাইডেন নীতির মূল বিষয় কিংবা কৌশল হচ্ছে বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি অনুযায়ী গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দেওয়া। বিভিন্ন দেশে ‘কর্তৃত্ববাদী সরকার’ চীন-রাশিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ার প্রেক্ষাপটে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকার গঠন এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে সরকার পরিবর্তনের ব্যবস্থাÑ এগুলোকেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাববলয় শক্তিশালী করার জন্য সহায়ক মনে করছে বাইডেন প্রশাসন। এ কারণেই সম্প্রতি বিভিন্ন দেশে গণতন্ত্র আর মানবাধিকার নিয়ে সরব হতে দেখা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে।
সূত্রের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, এই নীতির আলোকেই বাংলাদেশে আগামীতে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে তৎপরতা বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের একাধিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশে ২০১৮ সালের নির্বাচনে নানা ত্রুটি এবং সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য না হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। তারা বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পরবর্তীকালে বাংলাদেশের অন্যতম আইনশৃঙ্খলা বাহিনী র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। সর্বশেষ একটি ভিসানীতি ঘোষণা করেছে, যেখানে বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে বাধাদানকারীদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা না দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ওই নতুন ভিসানীতির পর থেকেই বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাসের ধারাবাহিক তৎপরতা শুরু হয়।
পশ্চিমা কূটনৈতিক সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশে আগামীতে অবাধ ও সুষ্ঠু একটি নির্বাচন হোক। এ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের বিষয়টিতে জোর দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ কারণে দেশটির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দল ও সরকার পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন তিনি। বৈঠকগুলোতে তিনি বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন ঘিরে বাইডেন প্রশাসনের বার্তা তুলে ধরছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে কীভাবে আগামীতে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করা যায় তা নিয়েও মতবিনিময় করছেন। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের আয়োজন করা যায় কি না তা নিয়েও তিনি কথা বলেছেন। তবে এখন পর্যন্ত ‘নির্বাচনকালীন’ সরকারের বিষয়ে কোনো অগ্রগতি নেই বলেই সূত্র জানায়। রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের পুরোনো অবস্থানই তুলে ধরেছে এবং সেই অবস্থানেই অনড় রয়েছে। শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও একইভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা যাচ্ছে। গতকাল বুধবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপি নেতারা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শামা ওবায়েদ এতে উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের ফলাফলের একটি সারাংশ নিয়ে পিটার হাস শিগগিরই ওয়াশিংটন যাবেন। এরপর তিনি হয়তো ওয়াশিংটন থেকে নতুন বার্তা কিংবা নির্দেশনা নিয়ে ফিরবেন। ফলে আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্র শক্তি যেমন জাপান, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের তৎপরতা আরও বাড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও সংক্ষিপ্ত নোটিসে ঢাকা সফরে আসতে পারেন। ফলে বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনে কূটনীতি তৎপরতা একটা বড় ‘ফ্যাক্টর’ হয়ে সামনে আসতে পারে।
বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী এবং ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশ ভারতের ভূমিকা সম্পর্কে অপর একটি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ভারত যুক্তরাষ্ট্রের মতো করে কোনো তৎপরতায় নেই। তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি এবং জাতীয় নির্বাচন ঘিরে চলমান পশ্চিমা কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর নজর রাখছে তারা। সূত্র আরও জানায়, ভারত বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতম ও প্রভাবশালী বন্ধু রাষ্ট্র হলেও কখনোই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি কিংবা নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মতো মধ্যস্থতার ভূমিকায় আসেনি। ভবিষ্যতেও আসার সম্ভাবনা নেই। কারণ ভারতের পররাষ্ট্রনীতিতেই এ ধরনের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার বিষয়টি নেই।
চীনের ভূমিকা সম্পর্কে কূটনৈতিক সূত্র জানায়, বাংলাদেশের ওপর চীনের প্রভাব আগের চেয়ে অনেক বেশি দৃশ্যমান। গত ২৪ মে বাংলাদেশের জন্য নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। এর দুদিন পরই অর্থাৎ ২৬ মে ঢাকায় আসেন চীন সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ওই দেশের ভাইস মিনিস্টার সান ওয়েইডেং। তবে যুক্তরাষ্ট্রের চলতি সপ্তাহের তৎপরতার বিপরীতে চীনের কোনো দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি। অবশ্য চীনের নীতিতে বেশিরভাগ কূটনৈতিক তৎপরতাই দৃশ্যমান হয় না।
সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, বিশ্ব রাজনীতির বাস্তবতা থেকেই বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র এবার বেশি তৎপরতা দেখাচ্ছে এটা বলা যায়। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিত্র। বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য, অর্থনীতি ও নিরাপত্তা সহযোগিতার পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিস্তৃত দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার সম্পর্ক আছে। আবার যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সরকার নিজেদের নীতিতে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছে। অতএব যুক্তরাষ্ট্রের এই তৎপরতা হঠাৎ করেই দেখা দিয়েছে তা বলা যাবে না। বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে এ ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতাও নতুন নয়। আগেও নানা সময়ে যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘের তৎপরতা দেখা গেছে। সবচেয়ে বড় কথা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং ভূমিকা রাখতে হবে।
অপর একজন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের ভূমিকা এখন আর শুধু কূটনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তার ভূমিকা অনেকটাই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা বলে মনে হচ্ছে। আবার রাজনৈতিক দলগুলোও তার এই মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা মেনে নিয়ে তার সঙ্গে বৈঠক করছে। অতএব বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র যে কতটা জোরালো ভূমিকা রাখতে চায় সেটা এখন পর্যন্ত তাদের প্রতিবেদন, সিদ্ধান্ত এবং তৎপতরতা থেকে স্পষ্ট। আপাতত অপেক্ষা করতে হবে তাদের পরবর্তী ভূমিকা কী হয় সেটা দেখার জন্য।