প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৩ ০০:১৫ এএম
আপডেট : ০৬ জুন ২০২৩ ০০:১৯ এএম
চহিদা সঙ্গে উৎপাদন সমন্বয় না থাকায় বেসামাল হয়ে উঠেছে বিদ্যুৎ। সোমবার (৬ মে) সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের হিসাব বলছে, কোনো ঘণ্টায় লোডশেডিং আড়াই হাজার মেগাওয়াটের নিচে নামেনি।
গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সর্বোচ্চ উৎপাদনের হিসাব দিত, এখন দিচ্ছে কখন কত লোডশেডিং হচ্ছে তার হিসাব।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) হিসেবে দেখা গেছে, সোমবার সকাল ৬টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৩ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১১ হাজর ২২১ মেগাওয়াট আর লোডশেডিং হয়েছে ২ হাজার ৫৮৮ মেগাওয়াট।
একই দিন ৮টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১১ হাাজর ৬৫৯ মেগাওয়াট, লোডশেডিং হয়েছে ২ হাজার ৬৪৩ মেগাওয়াট।
সকাল ১০ টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৬৫০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১১ হাাজর ৪৩২ মেগাওয়াট। আর লোডশেডিং হয়েছে ২ হাজার ৮৫৬ মেগাওয়াট।
দুপুর ১২টায় ২৫৯০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। দুপুর ২টায় ২৫৯০ মেগাওয়াট, বিকাল ৪টায় ২৮১৫ মেগাওয়াট এবং বিকাল ৫টায় ২৭০৪ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল। অর্থাৎ কোনো সময়ই চাহিদার সমান বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয়নি।