স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৫ মে ২০২৩ ১৮:৫৮ পিএম
আপডেট : ২৫ মে ২০২৩ ১৯:৩৯ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। সংগৃহীত ফটো
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার জন্য দায়ী বা জড়িত বলে প্রতীয়মান যেকোনো বাংলাদেশি ব্যক্তিকে ভিসা প্রদান সীমিতকরণে যুক্তরাষ্ট্র নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ মে) ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় ম্যাথিউ মিলার বিষয়টি জানান।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের কাছে আজ আমাদের বার্তা হলো, আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। আমরা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে দাঁড়িয়েছি। আমরা আপনাদের দেশে গণতন্ত্রের সমর্থনে এই নীতি ঘোষণা করেছি।’
এর আগে বুধবার রাতে বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচনের লক্ষ্যে নতুন একটি ভিসানীতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে এর জন্য দায়ী ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে ব্লিঙ্কেন এ-সংক্রান্ত একটি টুইটও করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে নির্বাচনে অনিয়ম, জালিয়াতি, ভোট কারচুপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাদের ভিসা প্রদানে বিধিনিষেধ দেওয়া হবে। ওই ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে কর্মরত বা সাবেক বাংলাদেশি কর্মকর্তা, সরকারি দল বা বিরোধী দলের সদস্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, বিচার বিভাগের কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা পরিষেবার সদস্য।
বিবৃতিতে ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘আজ আমি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের লক্ষ্যকে সমর্থন করার জন্য ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্টের ধারা ২১২ (এ) (৩) (সি) (“৩ সি”) -এর অধীনে একটি নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করছি।’
গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে—এমন কাজের মধ্যে রয়েছে ভোট কারচুপি, ভোটারদের ভয় দেখানো, সহিংসতার মাধ্যমে জনগণকে সংগঠিত হওয়ার স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারে বাধা দেওয়া এবং নানা প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দল, ভোটার, সুশীল সমাজ বা গণমাধ্যমকে তাদের মতামত প্রচার করা থেকে বিরত রাখা।
তিনি বলেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব ভোটার, রাজনৈতিক দল, সরকার, নিরাপত্তা বাহিনী, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যমসহ সবার। যারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে চায়, তাদের সবাইকে আমাদের সমর্থন জানাতে আমি এই নীতি ঘোষণা করছি।’