প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:৩২ পিএম
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৩:১৮ পিএম
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নবনির্মিত হাসপাতাল উদ্বোধন করেন তিনি।
কম খরচে বিশেষায়িত চিকিৎসা দিতে দেশে এই ধরনের হাসপাতাল এটিই প্রথম।
অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি এবং আধুনিক অপারেশন থিয়েটারসহ হাসপাতালটিতে যেকোনো সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল বা চিকিৎসকের মাধ্যমে পাঠানো রোগীকে সেবা দেওয়া হবে। প্রায় পাঁচ থেকে আট হাজার রোগী হাসপাতালের বহির্বিভাগে পরিষেবা পাবেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হাসপাতালে ৭৫০ শয্যা থাকবে। এ ছাড়া ১৪টি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার, একটি ১০০ শয্যার ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট, একটি ১০০ শয্যার জরুরি ইউনিট, ছয়টি ভিভিআইপি এবং ২২টি ভিআইপি কেবিন এবং ২৫টি ডিলাক্স কেবিন থাকবে।
বিশেষায়িত পরিষেবাগুলোর মধ্যে রয়েছে--অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন, জিন থেরাপি এবং রোবোটিক সার্জারি। বিশেষ চিকিৎসা প্রয়োজনের জন্য ছয়টি মনোনীত কেন্দ্রও থাকবে, যেখানে প্রতিটি ওয়ার্ডে আটটি শয্যা থাকবে।
ছয়টি মনোনীত কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে বিশেষায়িত অটিজম, মাতৃত্বকালীন এবং শিশু যত্ন, জরুরি চিকিৎসা সেবা, হেপাটোবিলিয়ারি এবং গ্যাস্ট্রোএন্টোরোলজি, কার্ডিওলজি ও সেরিব্রোভাসকুলার ডিজিজ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে নেফ্রোলজি।
মাধ্যমিক পর্যায়ের কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে শ্বাসযন্ত্রের ওষুধ, সাধারণ অস্ত্রোপচার, চক্ষুবিদ্যা, দন্তচিকিৎসা, চর্মরোগ বিদ্যা ও শারীরিক ওষুধ এবং পুনর্বাসন।
হাসপাতালে ৩০০ জন চিকিৎসকসহ প্রায় ১৫০০ স্বাস্থ্যসেবা কর্মী রোগীদের পরিষেবা দেবেন। তাদের মধ্যে কমপক্ষে ১২০ জন চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তা দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
হাসপাতালের প্রতিটি কর্মকাণ্ড একটি স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের মাধ্যমে করা হবে এবং রোগীর তথ্য ১০০ বছরের জন্য রেকর্ড করা হবে।
২০১৬ সালে নেওয়া এই প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ হয়েছে ১ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা তহবিল এক হাজার কোটি দিয়েছে। বাকি টাকার মধ্যে সরকারি বরাদ্দ ৩৩০ কোটি টাকা এবং বিএসএমএমইউ দিয়েছে ১৭০ কোটি টাকা।