প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৩ ১৫:০৮ পিএম
আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২৩ ১৫:৪০ পিএম
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সোমবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফোকাস বাংলা ফটো
দেশের ধারাবাহিক গণতন্ত্র চর্চা অনেক আন্তর্জাতিক শক্তি পছন্দ করে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আমি জানি, এই ধারাবাহিক গণতন্ত্র চর্চা অনেক আন্তর্জাতিক শক্তির কাছে পছন্দ হয় না। আমাদের দেশেও এমন কিছু আঁতেল আছে। তারা মনে, একটা অস্বাভাবিক সরকার থাকলে তাদের কদর বাড়ে।
সোমবার (২৭ মার্চ) ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ৫৩তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে এটির আয়োজন করে আওয়ামী লীগ।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে, তাদের লাঠি লাগে, খোটা লাগে। সেই লাঠি হতে পারছে না বলে তাদের খুব দুঃখ। তারা সব সময় দেশের বাইরে নানা ধরনের বদনাম করছে। দেশের ভেতরও আজেবাজে বলে যাচ্ছে, লিখে যাচ্ছে। দেশে নাকি কিছুই (উন্নয়ন) হয়নি। কিন্তু তৃণমূল পর্যায়ে যান। সেই তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। এই স্বাধীনতা কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।’
তিনি বলেন, ‘২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ধারাবাহিক গণতন্ত্র (চর্চা) আছে। ধারাবাহিক উন্নয়নও হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশ এখান থেকে আর পিছে হাঁটবে না, এগিয়ে যাবে। অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’২৯ বছর (১৯৭৬-১৯৯৬ ও ২০০১-২০০৮) ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায়। সেই কালো মেঘ কেটে বাংলাদেশের মানুষের জন্য আমরা নতুন সূর্য নিয়ে এসেছি। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আলোর পথে যাত্রা শুরু করেছে, সেই পথেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘৭৫-এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে যে অপশক্তি ক্ষমতা দখল করেছিল, সেই পরাজিত শক্তির প্রেতাত্মারা কোনোভাবেই যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে। এজন্য সবাইকে অতন্দ্র প্রহরীর মতো সতর্ক থাকতে হবে। এই দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না।’
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাহজাহান খান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সদস্য আব্দুর রহমান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মো. জমির, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পারভীন জামান কল্পনা, সানজিদা খানম, আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক এসএ মান্নান কচি প্রমুখ। যৌথভাবে সভা পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ ও উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুল আউয়াল শামীম। এতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।