× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২২

ফাঁদ পাতা কমিয়ে দিয়েছে দুদক

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২৩ ০০:৩৭ এএম

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২৩ ১১:১৩ এএম

প্রবা ফটো

প্রবা ফটো

অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা, নিষ্পত্তি, সাজার হারসহ প্রায় সব সূচকেই উন্নতি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। করোনা-পরবর্তী সংস্থাটির বড় সফলতা মনে করছেন দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আব্দুল্লাহ। মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দুদক প্রধান কার্যালয় মিলনায়তনে সংস্থাটির ২০২২ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

তবে একটি সূচকে দুদক সবচেয়ে পিছিয়ে আছে, সেটি হলো হাতেনাতে দুর্নীতি ধরার ফাঁদ মামলা। ২০২২ সালে মাত্র ৪টি ফাঁদ মামলা করেছে দুদক, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০১৮, ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালে যথাক্রমে সংস্থাটি ফাঁদ মামলা করেছে ১৫, ১৬, ১৮ ও ৬টি।

গত এক বছরে মামলার চার্জশিটে পিছিয়ে রয়েছে কমিশন। গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন, ২০২২ সালে ২২৪টি মামলায় চার্জশিট দিয়েছে দুদক। অন্যদিকে ২০১৮, ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালে যথক্রমে ২৩৬, ২৬৭, ২২৮ ও ২৬০টি চার্জশিট দিয়েছে সংস্থাটি। এ ক্ষেত্রে সাজার হারের সূচকে উন্নতি হয়েছে দুদকের। ২০২২ সালে ৬৪ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং ২০১৮, ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালে সাজার হার ছিল যথাক্রমে ৬৩, ৬৩, ৭২ ও ৬০ শতাংশ। সে হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাজার হার ছিল ২০২২ সালে।

বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, গত এক বছর দুদকে ১৯ হাজার ৩৩৮টি অভিযোগ জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে ৯০১ অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য গ্রহণ করেছে সংস্থাটি, যা মোট অভিযোগোর ৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল এ পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক মামলা হয়েছে ২০২২ সালে। বছরটিতে দুদক ৪০৬টি মামলা দয়ের করেছে, যা ২০২১ সালের চেয়ে ৬০টি বেশি।

বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশের বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা ২০ মার্চ রাষ্ট্রপতির হাতে  দুদকের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রদান করেছি। তিনি আমাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা বলেছেন। এ ছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রচারাভিযানে জোর দেওয়ার কথা বলেন। আমরা ২০২০ ও ২০২১ সালে করোনা-পরবর্তী সব সূচকেই ভালো করেছি।

সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের সম্পদের খতিয়ান দুদক দেখবে কি না– এমন প্রশ্নে কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেন, আমরা অভিযোগ এলে সেসব দেখি তবে নির্বাচনের বছরে সব প্রার্থীর হলফনামায় যে সম্পদ বিবরণী থাকে, তা খতিয়ে দেখব। এ বছর চোখ-কান খোলা রাখবে দুর্নীতি দমন কমিশন।

২০২২ সালে দুদক বিভিন্ন মামলায় আসামিদের ২ হাজার ৬৩২ কোটি ৪১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৮৩ টাকা জরিমানা করেছে, যা গত পাঁচ বছরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। গত পাঁচ বছরের মধ্যে এর চেয়ে বেশি সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে কেবল ২০১৯ সালে, ৩ হাজার ৪৯৭ কোটি ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৯ টাকা। অন্যদিকে ২০১৮ সালে জরিমানা করা হয় ১৩৯ কোটি, ২০২০ সালে ৭২ কোটি ও ২০২১ সালে ৭৫ কোটি টাকা।

বার্ষিক প্রতিবেদনের বিষয়ে দুদক কমিশনার মোজাম্মেল হক খান বলেন, দুদক গত কয়েক বছরের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। যেসব সংখ্যা বাড়লে দুদক সম্পর্কে মানুষের আস্থা বাড়ে, কমিশনে সেসব সংখ্যা বেড়েছে। তিনি বলেন, একটি সংখ্যা কম আছে সেটা হলো ফাইনাল রিপোর্ট, এর মানে আমরা পণ্ডশ্রম করিনি। মহামান্য রাষ্ট্রপতি আমাদের রিপোর্টে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

দুদকের ভেতরে অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে মোজাম্মেল হক খান বলেন, আমরা অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি প্রতিরোধ করব এমন একটি পরিকল্পনা আমাদের আছে, সেটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। দুদকের প্রতি মানুষের যে আস্থার ঘাটতি ছিল সেটা আর নেই। গত তিন বছরের পরিসংখ্যান তুলনা করলেই তা বোঝা যাবে।

অভিযোগের তুলনায় অনুসন্ধান কম হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক কমিশনার জহুরল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে আটক করলাম, জেলে বসিয়ে সরকারের টাকায় ভাত খাওয়ালাম, তার চেয়ে অপরাধীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রের অনুকূলে নেওয়াই লাভজনক। দুদক আগের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে গেছে। আপনারা দুদকের ভালো কাজগুলো তুলে ধরুন। অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি আছে মিথ্যা না, তবে সেটা বাড়ে নাই।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা