নগরজীবন
প্রতিদিনের বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২২ ২২:৩৪ পিএম
ঢাকায় যানজটে চরম ভোগান্তি
যানজটের সাথে গড়ম যুক্ত হয়ে নগরজীবন এখন অতিষ্ট। সারাদিনই রাজধানীজুড়ে যানজট ঘেরা থাকে। গড়ম আর যানজটে চারদিকে ছড়িয়ে পরছে নানাবিদ রোগ। এরমধ্যে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে নগরীতে দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট। যানজটে দীর্ঘ সময় রাস্তায় বসে থাকতে হচ্ছে মানুষকে। একদিকে তীব্র যানজট আরেকদিকে অসহনীয় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বিভিন্ন প্রয়োজনে রাস্তায় বের হওয়া মানুষেরা।
রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ঘুরে এ অবস্থা দেখা গেছে। ফার্মগেট থেকে মহাখালী, বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরগামী পরিবহনগুলোকে বিমানবন্দর এলাকায় যানজটে আটকে থাকতে হয় দীর্ঘ সময়। এ ছাড়া রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা, কুড়িলসহ আশপাশের এলাকার সড়কগুলোতেও ছিল যানজট।
জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপির সমাবেশ থাকায় এ এলাকাতেও তীব্র যানজট দেখা গেছে। প্রেসক্লাব থেকে পল্টন হয়ে ফকিরাপুল পর্যন্ত একদম রাস্তা বন্ধ হয়ে আছে। একইভাবে পল্টন থেকে জিপিও মোড় হয়ে মতিঝিল এবং আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন সড়কেও সৃষ্টি হয়েছে যানজট।
বাস চালকেরা জানান, এই সড়কগুলোতে যানজট এমনিতেও থাকে। তবে আজকে বিএনপির সমাবেশের কারণে জট একটু বেশি।
সুপ্রিম কোর্টের সামনে বাস চালক রবিউল জানান, এক ঘণ্টারও বেশি সময় এক জায়গায় আটকে আছি। প্রেসক্লাবে সমাবেশের কারণে গাড়িগুলো বামে যাইতে পারছে না। তাই নিরুপায় হয়ে এখানে বসে আছি।
এদিকে তীব্র যানজটে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষেরাও। বেসরকারি চাকরি করেন হুমাইরা আক্তার। শাহবাগ থেকে এসেছেন বনানী। তিনি জানান, সকালে ৯টায় গাড়িতে উঠেছেন, যানজটের কবলে গাড়ির গতি কমেছে। ফলে অফিসে প্রায় ১ ঘণ্টা দেরিতে আসতে হয়েছে। দুই ঘণ্টা বাসে বসে থাকার পরে দশটার দিকে সে তার অফিসে পৌঁছেছে।
যানজটে অতিষ্ঠ নগরবাসীর অনেককে বাস থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা গেছে। তেজগাঁও এলাকার মো. আজিজ নামে এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী জানান, কয়েক দিন ধরে রাস্তায় যানজট বাড়ছে। সে জন্য অফিসে যেতে দেরি হচ্ছে। আজও রাস্তায় প্রচন্ড যানজট। গাড়ি চলেই না। তাই অনেকটা পথ হেঁটেই অফিসে যেতে হচ্ছে।
যানজটের কারণ জানতে চাইলে পল্টন মোড়ে কর্মরত ট্রাফিক সার্জেন্ট কাওসার টিটু বলেন, ‘ঢাকায় ত এমনিতেই প্রচুর যানজট থাকে। তার ওপর বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সভা সমাবেশের কারণে তা আরও বাড়ছে।’