নিজের দুই বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে রাষ্ট্রপতি
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০০:৫৫ এএম
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০১:০৫ এএম
বই প্রকাশনা উৎসবে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী রাশিদা খানম, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রবা ফটো
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘আমার জীবননীতি আমার রাজনীতি’ ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণসমূহের সংকলন ‘স্বপ্ন জয়ের ইচ্ছা’ বই দুটির প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে প্রবীণ রাজনীতিবিদদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুই আমার রাজনৈতিক গুরু, তার কাছেই রাজনীতির হাতেখড়ি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দিতে যারা তাঁর সান্নিধ্য পেয়েছেন, তাদের সবারই আত্মজীবনী লেখা প্রয়োজন।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬৬-এর ছয় দফা, ৬৯-এর গণ অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সবকিছুতেই শক্তি জুগিয়েছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও অনুপ্রেরণা।’
প্রধান অতিথির ভাষণে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বই দুটি প্রকাশের জন্য রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী রাশিদা খানম, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ ও বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নুরুল হুদা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাধ্যমিক ও শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।
রাশিদা খানম বলেন, ‘আমার জীবননীতি আমার রাজনীতি’ বইটির অনেক ঘটনারই সাক্ষী আমি। বিশেষ করে, কলেজ জীবন থেকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সেই দিনগুলোর স্মৃতি আজও আমাকে নাড়া দেয়।’
তিনি বলেন, ‘‘এতদিন তার (মোঃ আব্দুল হামিদ) পরিচয় ছিল রাজনীতিবিদ, আইনবিদ, সংসদ সদস্য, ডেপুটি স্পিকার, স্পিকার, বিরোধীদলীয় উপনেতা ও সর্বশেষ রাষ্ট্রপতি হিসেবে। আজ আরও পরিচিতি যুক্ত হলো লেখক হিসেবে। যদিও এটা অনেকটা ‘বেটার লেট দ্যান নেভার’ এর মতো।’’
স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘সিনিয়রদের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্যের কথা নতুন প্রজন্মকে জানানোর প্রয়াস থেকেই রাষ্ট্রপতির ইচ্ছার প্রতিফলন-এই বই।’
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘লেখক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ এবং আমি একে-অপরের বন্ধু ছাত্রজীবন থেকেই। বঙ্গবন্ধু আমাদের স্নেহ করতেন। সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য হিসেবেও তিনি মেধার সাক্ষ্য রেখেছেন।’