তুরস্কে ভূমিকম্প
কূটনৈতিক প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২০:৪৬ পিএম
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২২:৫৬ পিএম
তুরস্কে ভূমিকম্পের পর নিখোঁজ শিক্ষার্থী গোলাম সাঈদ রিংকু। প্রবা ফটো
তুরস্কে ভূমিকম্পের পর নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গোলাম সাঈদ রিংকু কাহরামান মারাস সুতচু ইমাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছের একটি ভবনে আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছেন ইস্তাম্বুলে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে আলম।
মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এ তথ্য দেন তিনি। বলেন, ভূমিকম্পের পর দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিখোঁজ হন। তাদের মধ্যে নূরে আলমকে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আহত হয়েছেন। অপর শিক্ষার্থী রিংকু একটি ভবনে আটকা পড়েছেন। এ ছাড়া সাত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গাজিয়ানতেপ অঞ্চলের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।
তুরস্ক ও তার প্রতিবেশী উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। দেশ দুটিতে এরইমধ্যে নিহতের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপে আটকে নিখোঁজ রয়েছেন বহু মানুষ।
ইস্তাম্বুলে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে আলম জানান, নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মধ্যে নূরে আলমকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে সাঈদ রিংকু যে ভবনে থাকতেন সে ভবনেই আটকা পড়ে আছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ওই ভবনে আটকে পড়া একজন স্থানীয় শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় বেলা ১২টার দিকে উদ্ধার হওয়া ওই শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত তিনি রিংকুর গলার আওয়াজ পেয়েছেন। ভূমিকম্পে আটকে পড়ার পর তারা কেউ কাউকে দেখতে না পেলেও একে অপরের কথা শুনতে পারছিলেন। তারা কিছু কথাও বলেছেন। কিন্তু সকাল ৯টার পর থেকে তিনি ডেকেও রিংকুর আর কোনো সাড়া পাননি।
ভূমিকম্প কবলিত তুরস্কের দুটি শহরে প্রায় ৫০ জন বাংলাদেশি থাকতেন বলে জানান কনসাল জেনারেল।
উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে তিনি জানান, বর্তমানে তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্ত অঞ্চলে দিনের তাপমাত্র শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। তীব্র শীতের কারণে উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে। তবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রিংকুকে খোঁজ পাওয়ার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।