প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২৩:২২ পিএম
আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২৩:৩৫ পিএম
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস। প্রবা ফটো
তথ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের দুই রাষ্ট্রদূতসহ আইটি খাতের বিশেষজ্ঞরা। রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন দূতাবাসের আয়োজনে ‘অনলাইন ফ্রিডম অ্যান্ড বিজনেস এনভায়রনমেন্ট’ শীর্ষক অনলাইন সেমিনারে তারা এ উদ্বেগ জানান।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এবং এই পরিবর্তনগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের আইন ও নিয়ন্ত্রণকাঠামো সাজানোটা চ্যালেঞ্জ। যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ এবং সারা বিশ্বের সবাই এর মুখোমুখি।
খসড়া ডেটা সুরক্ষা আইন নিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্বকে আমরা মূল্য দেই। আমাদের উদ্বেগের কথা সরকারের কাছে সরাসরি তুলে ধরেছি।’
যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন এ প্রসঙ্গে বলেন, বাকস্বাধীনতা ও এর সঙ্গে নীতি প্রণয়নে ভারসাম্য বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ। এটি সব দেশের জন্য প্রযোজ্য।
ডাটা প্রটেকশন আইনের খসড়ায় অনেক বিষয়ে স্বচ্ছতার অভাব আছে বলে সেমিনারে মন্তব্য করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জমান।
সেমিনারে ওরাকলের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুবাবা দৌলা বলেন, গত কয়েক বছরে ডিজিটাইজেশনের ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি হয়েছে। এর জন্য অনলাইন স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে ডাটা রক্ষা করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে রুবাবা দৌলা বলেন, ‘এখানে তিনটি জিনিস গুরুত্বপূর্ণ : কোথায় ডাটা রাখা হচ্ছে, কিভাবে রাখা হচ্ছে এবং কারা এই তথ্যগুলো দেখতে পাচ্ছে। আমাদের বুঝতে হবে তথ্য যেন সুরক্ষিত থাকে।’
আইটি খাতে ২০০৮ সালে আড়াই কোটি ডলার রপ্তানি হয়, যা ২০২১ সালে এসে প্রায় ২০০ কোটিতে ছুঁয়েছে। ২০২৫ সালে তা প্রায় ৫০০ কোটি ডলারে দাঁড়াবে দাবি করে তিনি বলেন, এখানে প্রতিবন্ধকতা থাকলে তা অর্জন করা সম্ভব হবে না।