কলেজ শিক্ষকদের আট দফা
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২১:১২ পিএম
রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘বিসিএস সাধারণ শিক্ষা পরিষদ’-এর ব্যানারে কলেজ শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলন। সংগৃহীত ফটো
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কিছু কর্মকর্তার কারণে চাকরি-সংক্রান্ত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন সরকারি কলেজের একদল শিক্ষক। তাদের অভিযোগ, মাউশির কিছু কর্মকর্তা ‘হিংসা’ করে নানা অজুহাতে তাদের চাকরি নিয়মিতকরণ, স্থায়ীকরণ ও পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করছেন। আর এসব সমস্যা সমাধানের জন্য তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ জানান।
রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘বিসিএস সাধারণ শিক্ষা পরিষদ’-এর ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব অভিযোগ ও অনুরোধ করা হয়। বক্তব্য দেন সংগঠনের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম শামীম, সদস্য সচিব মুহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম, সদস্য মোহাম্মদ আবু সায়েম। সংগঠনটি বেসরকারি কলেজ থেকে সরকারি হওয়া কলেজ শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত।
এক মাসের মধ্যে চাকরি নিয়মিতকরণ, যোগ্যতা অর্জনকারী শিক্ষকদের দ্রুত স্থায়ীকরণ, পদোন্নতি দেওয়াসহ আট দফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষকরা।
মিজানুর রহমান বলেন, তারা আত্তীকরণ বিধিমালা ২০০০ অনুযায়ী নিয়োগ পেয়েছেন। এর মাধ্যমে কলেজ সরকারি হওয়ার পর বিসিএস ক্যাডারের প্রয়োজনীয় (কাম্য) যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষকেরা ক্যাডার কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। কিন্তু তাদের অনেকের চাকরি নিয়মিতকরণ করা হচ্ছে না। যেটি চাকরি–সংক্রান্ত কাজে খুবই প্রয়োজন।
তিনি বলেন, অনেকের নিয়োগ ৭-১০ বছর পর্যন্ত হয়ে গেলেও নিয়মিতকরণ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছেন। মাউশির কিছু কর্মকর্তা কাজটি করছেন। ২৭টি কলেজের ৬ শতাধিক শিক্ষক নিয়মিতকরণের এ সমস্যায় আছেন। স্থায়ীকরণ ও পদোন্নতিতে তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছেন।
মাউশির ওই সব কর্মকর্তা কারা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষক নেতারা বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কিছু কর্মকর্তার প্রতি ইঙ্গিত করেন। যারা এখন মাউশির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন।