খুলনা সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২২ ১০:৩৮ এএম
আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২২ ১১:০৮ এএম
সুন্দরবন
দীর্ঘদিন পর পর্যটকদের জন্য সুন্দরবন খুলছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১ সেপ্টেম্বর থেকে ঘুরতে যাওয়া যাবে বিশ্বের বৃহত্তম এই ম্যানগ্রোভ বনে।
খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো বলেন, পর্যটকরা আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন। একই সঙ্গে বনজসম্পদ আহরণের জন্য পাস নিয়ে ওই দিন থেকে বনে ঢুকতে পারবেন বনজীবীরাও।
বন বিভাগ গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাস সুন্দরবনের সব নদ-নদী ও খালে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। এই তিন মাস মাছের প্রজনন মৌসুম হওয়ায় সব ধরনের মাছ আহরণ বন্ধের পাশাপশি সুন্দরবনে পর্যটকদের প্রবেশও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
সুন্দরবনের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানিংয়ের (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী, প্রতি বছর ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ থাকে। ২০১৯ সাল থেকে এই কার্যক্রম চালু হয়েছে। এবার মৎস্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে এই সময় এক মাস বাড়িয়ে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করে বন মন্ত্রণালয়।
ট্যুর অপারেটরদের ভাষ্য, বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন হওয়ায় সুন্দরবন বাংলাদেশসহ বিশ্বের পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের স্থান। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য প্রতি বছর ২ লক্ষাধিক দেশি-বিদেশি পর্যটক ভ্রমণে আসেন।
ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের সাধারণ সম্পাদক এম নাজমুল আজম ডেভিড বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এতদিন সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। এখন নিষেধাজ্ঞা উঠছে। পদ্মা সেতু হওয়ায় সড়ক পথে সুন্দরবনে পর্যটকদের ভিড় বাড়বে বলে আশা করছি।
বিধিনিষেধ শেষ হওয়ায় এখন করমজল, কটকা, কচিখালী, হারবাড়িয়া, হিরণপয়েন্ট, দুবলা ও নীলকমলসহ সমুদ্রতীরবর্তী এবং বনাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে লঞ্চ, ট্যুরবোট, ট্রলার ও বিভিন্ন নৌযানে চড়ে যেতে পারবেন দর্শনার্থীরা।
প্রবা/এইচকে /এসআর