প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ ১৯:৪০ পিএম
আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ ২০:২৭ পিএম
বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লেফটেন্যান্ট সেলিম। সংগৃহীত ফটো
সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লেফটেন্যান্ট সেলিমের ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭২ সালের এই দিনে রাজধানীর মিরপুরকে মুক্ত করতে গিয়ে সেলিমসহ ৪১ জন সামরিক বাহিনীর সদস্য, শতাধিক পুলিশ এবং মুক্তিযোদ্ধা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে সেলিমই যুদ্ধ পরিচালনা করে মুক্ত করেন অবরুদ্ধ মিরপুর। সেদিন নিজের শেষ রক্তবিন্দু ঝরিয়ে যুদ্ধ করে বিজয়ের পথ খুলে দেন সেলিম। এভাবেই ৩১ জানুয়ারি প্রভাতে মুক্ত হয় অবরুদ্ধ মিরপুর। বুকে বুলেটের আঘাত নিয়েও সম্মুখসমরে সেলিম যে সাহসিকতা ও কর্তব্যনিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে গেছেন তা তার সহযোদ্ধারাই বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যক্ত করেছেন।
যুদ্ধে বিজয় লাভের এক মাস পরও মিরপুর ১২ নম্বর সেক্টরের ৪ বর্গ কিলোমিটার এলাকা পাকিস্তানি দোসরদের ঘাঁটি হিসেবে অবরুদ্ধ ছিল।
যুদ্ধ চুক্তি ভঙ্গ করে বাংলাদেশে খুন, লুণ্ঠন, অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছিল পরাজিত দোসর দল। বিজয়ের ৪৫ দিন পর ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে অবরুদ্ধ মিরপুর মুক্তকরণ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়। লে. সেলিম, ক্যাপ্টেন হেলাল মোর্শেদ, ডিএসপি লোদীসহ ৩০০ জন পুলিশ এবং ১৪০ জন সৈনিক ৩০ জানুয়ারি সকালে মিরপুর প্রবেশ করেন। সেদিন সকাল ১১টায় সেলিম যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছনোর পরপরই গুলি শুরু হয়। গোলাগুলির এক পর্যায়ে সেলিমের বুকে একটি গুলি লাগে।