× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

দাবি আদায়ে অনড় চা শ্রমিকরা, উৎপাদন কমার শঙ্কা

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২২ ১৩:৩২ পিএম

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২২ ১৪:৩৬ পিএম

দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন চা শ্রমিকরা। ছবি: সংগৃহীত

দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন চা শ্রমিকরা। ছবি: সংগৃহীত

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বৃহস্পতিবারও আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন চা শ্রমিকরা। এ অবস্থায় উৎপাদন কমার শঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দৈনিক ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে চলমান ধর্মঘটের কারণে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে দেশের উৎপাদনশীল এই খাতে। ভরা মৌসুমে শ্রমিকদের ধর্মঘটের কারণে বেশির ভাগ বাগানের ফ্যাক্টরিতেই নষ্ট হচ্ছে তোলা পাতা। আবার বাগানের কচি পাতা বয়স্ক হয়ে পড়ছে।

আকিজ গ্রুপের মালিকানাধীন মৌলভীবাজারের বাহাদুরপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক মো. আব্দুল জব্বার বলেন, ‘আমাদের ফ্যাক্টরিতে লাখখানেক কেজি চা এক সপ্তাহ ধরে পড়ে আছে। শ্রমিক ধর্মঘটের কারণে এগুলো প্রক্রিয়াজাতকরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে পাতাগুলো নষ্ট হচ্ছে। আর দুই-এক দিন এভাবে চললে এই পাতা থেকে আর চা হবে না। হলেও গুণগত মান খুব খারাপ হবে।’

বুধবার শ্রমিকদের দাবির বিষয়টি নিয়ে ডাকা বৈঠকে মজুরি নিয়ে কোনো সমাধান হয়নি।  

চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পালন জানান, তারা শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও চা সংসদ কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কিন্তু তাতে কোনো সমাধান হয়নি। মালিকপক্ষ ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা দৈনিক মজুরি দিতে চাচ্ছেন। আমরা তা মানিনি। আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে। আমাদেরকে ছাড় দিতে হলে কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

মূলত বাগানে চা উত্তোলন হয় নয় মাস। ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি চা উত্তোলন বন্ধ থাকে। মার্চ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চা উত্তোলন করা সম্ভব হয়। তবে পূর্ণ মৌসুম জুন, জুলাই ও আগস্ট। এ তিন মাসে বছরের প্রায় ৪০ শতাংশ চা উৎপাদন হয়। 

দাড়াগাঁও চা বাগানের শ্রমিক পঞ্চায়েতের সভাপতি প্রেমলাল আহির জানান, দৈনিক তাদেরকে ২৪ কেজি পাতা সংগ্রহ করতে হয়। এর বিনিময়ে তারা ১২০ টাকা পান। এর অতিরিক্ত প্রতি কেজির জন্য ৪ টাকা ৫০ পয়সা করে দেওয়া হয়। আর কম হলে প্রতি কেজিতে ৫ টাকা করে কাটা করা হয়।

তিনি বলেন, একেকজন শ্রমিক বর্তমান মৌসুমে দৈনিক ৫০ থেকে ১০০ কেজি পর্যন্ত চা তুলতে পারেন। কিন্তু মৌসুম ছাড়া টার্গেটই অর্জন করা যায় না। এখন তাদের মজুরি বৃদ্ধি না করলে তারা চলতে পারবেন না। সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। তাই তারা দাবি পূরণের লক্ষ্যে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘কোম্পানির ক্ষতি হচ্ছে সেটি আমরা বুঝি। কিন্তু আমাদের পেটে যদি ভাত না পড়ে তাহলে আমরা কর্ম করবো কী করে। তাছাড়া পাতা যদি বড় হয়ে যায় তাহলে চাও ভালো হয় না।’

প্রবা/ইউরি/

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা