থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বৃহস্পতিবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং আইসিআইএমওডির মহাপরিচালক পেমা গ্যামশোর মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সুশাসন জোরদারে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশ ও ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি)।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বৃহস্পতিবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং আইসিআইএমওডির মহাপরিচালক পেমা গ্যামশোর মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
বৈঠকে আইসিআইএমওডির মহাপরিচালক বাংলাদেশের সক্রিয় সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন। তিনি হিমবাহনির্ভর নদী ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আন্তঃসীমান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
একই সঙ্গে যৌথ পানি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে সমন্বিত আন্তঃসীমান্ত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে আইসিআইএমওডির মধ্যমেয়াদি মূল্যায়ন ও কৌশলগত পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশে আইসিআইএমওডির ‘ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট’ হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়কে মনোনীত করার প্রস্তাবও বৈঠকে উত্থাপন করা হয়। এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করবেন।
এ সময় মন্ত্রী আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য আইসিআইএমওডির বোর্ড সভায় অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি সংস্থার মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ সব উদ্যোগে বাংলাদেশের ধারাবাহিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ প্রধান নদীর উৎপত্তি প্রতিবেশী দেশগুলোতে হওয়ায় আন্তঃসীমান্ত জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু অভিযোজন এবং পর্বত-থেকে-বদ্বীপ বাস্তুতন্ত্রের টেকসই ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বৈঠকের শেষে বাংলাদেশ ও আইসিআইএমওডির দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।