× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

কৃষি খাতে বিশেষ অবদান

অ্যাওয়ার্ড পেলেন প্রতিদিনের বাংলাদেশের আরিফসহ ৯ সাংবাদিক

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে

আপডেট : ২ ঘণ্টা আগে

কৃষি খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বিএআরএফ মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ৯ সাংবাদিক। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

কৃষি খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বিএআরএফ মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ৯ সাংবাদিক। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

সাংবাদিকতার মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষি খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বিএআরএফ মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ পেয়েছেন প্রতিদিনের বাংলাদেশের ফারুক আহমাদ আরিফসহ প্রিন্ট, অনলাইন ও টেলিভিশনের ৯ সাংবাদিক।

রাজধানীর ফার্মগেটের বিএআরসি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রত্যেককে নগদ ৩০ হাজার টাকা, ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হয়।

২০২৫ সালের ৯ মার্চ ‘লবণের বিষে নীল উপকূল’ প্রতিবেদনের জন্য ফারুক আহমাদ আরিফকে পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় ছিল এনইবিএল এগ্রো লিমিটেড, কনকর্ড হেলথ গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ এবং সুপ্রিম সীড।

বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএআরএফ) সভাপতি রফিকুল ইসলাম সবুজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কাওসার আজমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সন্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুছ ছালাম, সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম এবং বাংলাদেশ সীড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কৃষিবিদ মোহাম্মদ মাসুম।

পুরস্কারপ্রাপ্ত অন্য সাংবাদিকরা হলেন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের শাহাদাত হোসেন বিপ্লব, ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের শাহিদ আহমেদ সোহাগ, জাগো নিউজ২৪ডটকমের ডিএম নাজমুল হুসাইন, দৈনিক সমকালের জাহিদুর রহমান, আজকের পত্রিকার সাইফুল মাসুম, এটিএন নিউজের ফেরদৌস রহমান, দৈনিক যুগান্তরের ইয়াসিন রহমান এবং এখন টেলিভিশনের সাজিদ আরাফাত।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিসিএস (অবসরপ্রাপ্ত) কৃষি ক্যাডার এসোসিয়েশনের মহাসচিব আহমেদ ইকবাল চৌধুরী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল হাসান সোহেল, কৃষিবিদ ও ফলবিশেষজ্ঞ মেহেদী মাসুদ, বিএআরসির বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শাহ মো. মনির হোসেন,  শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবু নোমান ফারুক, কৃষিবিদ মো. আরিফুর রহমান, কৃষিবিদ ড. আব্দুল কাইউম, কৃষিবিদ ড. বদরুল হক, কৃষিবিদ জিয়াউর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক মু্‌ন্না রায়হান ও ফয়জুল সিদ্দিকী।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফেরদৌস রহমান, শাহাদাত হোসেন বিপ্লব। 

স্বাগত বক্তব্যে রফিকুল ইসলাম সবুজ বলেন, কৃষি সাংবাদিকতায় প্রথমবারের মতো পুরস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এটি চালু থাকবে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল হাসান সোহেল বলেন, বিটভিত্তিক রিপোর্টে আগামীতে এ পুরস্কার সবাইকে উৎসাহিত করবে।

মেহেদী মাসুদ বলেন, ডিএইর প্রশিক্ষণ শাখা রয়েছে। সেখানে কৃষি সাংবাদিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। দক্ষিণে ১৩ লাখ, পাহাড়ে ৭ লাখ, সারা দেশে ৮০ লাখ হেক্টর চাষাবাদের জমি। পাহাড়ে মাত্র ৩ শতাংশ আবাদের আওতায় এসেছে। মু্‌ন্না রায়হান বলেন, কৃষিখাতে খুব ভালো রিপোর্ট হচ্ছে। 

ড. আবু নোমান ফারুক বলেন, উন্নয়ন সাংবাদিকতার অন্যতম পাঠ কৃষি সাংবাদিকতা। দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের রিপোর্টগুলো তুলে আনতে হবে।

রপ্তানিযোগ্য আম প্রকল্পের পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, সরকারি পণ্য রপ্তানি নিয়ে আমরা কাজ করি। আমরা চাই আপনারা দেশের কৃষিপণ্য রপ্তানিকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরবেন। 

ড. আব্দুল কাইউম প্রকল্পগুলো নিয়ে প্রতিবেদন করার আহ্বান জানান। ড. বদরুল হক বলেন, আজ থেকে ২০ বছর আগে কৃষি সাংবাদিকতাকে ততটা গুরুত্ব দেওয়া হতো না। বর্তমানে এটি প্রথম সারির বিটে পরিণত হয়েছে। কৃষক ও উদ্যোক্তাদের সমস্যাগুলো ধরার আহ্বান রইল। ফায়জুল সিদ্দিকী বলেন, আগামীতে আরো ভালো প্রতিবেদন করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।

আহমেদ ইকবাল চৌধুরী বলেন, বর্তমানে কৃষি খাতে বৈষম্যের অবসান হয়নি। এ খাতের ৮০ শতাংশ অনুদানই চলে যায় রাসায়নিক সারে। অথচ বীজ উৎপাদন, রপ্তানি উৎসাহিত করতে প্রণোদনা দিতে হবে।

ড. মো. আব্দুছ ছালাম বলেন, কম জমি থেকে বেশি মানুষের খাদ্যের যোগান নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, জাপানে গবেষণাখাতে বরাদ্দ ৩.৫ শতাংশ, চীনে ২.১ শতাংশ, ভারতে ০.৯। তবে বাংলাদেশে এই খাতে বরাদ্দ মাত্র ০.৬ শতাংশ। বাজেটে গবেষণায় বরাদ্দ বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, মেধাসম্পন্ন জাতি নিশ্চিত করতে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বাজেট বাড়াতে হবে।

আব্দুর রহিম বলেন, সাংবাদিকতা পেশার মাধ্যমে কৃষির প্রতিবেদনগুলো আরও প্রাধান্য পাবে। প্রশিক্ষণ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের টেকনিক্যাল কিছু শব্দগত সমস্যা তৈরি হয়। সেজন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। দেশে কৃষির উন্নয়নে প্রযুক্তিগত পরিচয় ও মাঠের ফসল থেকে সকল ধরনের কার্যক্রম তুলে ধরলে আমরা ব্যবস্থা নেব। তিনি বলেন, কৃষিখাতে বিপ্লবের পেছনে সাংবাদিকদের বড় অবদান রয়েছে। 

মোহাম্মদ মাসুম বলেন, দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে দেশিয় জাতের নারিকেল গাছ রোপণ করা দরকার। তাহলে বছরে প্রাং ১৫ হাজার কোটি টাকার আমদানি থেকে বাঁচা যাবে।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা