× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

নেতৃত্বশূন্যতায় কঠিন সংকট

নখদন্তহীন দুদক

তোফাজ্জল হোসেন কামাল

প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে

আপডেট : ২ ঘণ্টা আগে

প্রধান কার্যালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন। ছবি: সংগৃহীত

প্রধান কার্যালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন। ছবি: সংগৃহীত

নেতৃত্বশূন্যতায় কঠিন সংকটের মুখোমুখি দুর্নীতি দমন কমিশন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন যে, গত সাড়ে তিন মাসেরও বেশি সময়ে প্রতিষ্ঠানটিতে যে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে, তা কাটিয়ে ওঠা খুব সহজে সম্ভব হবে না।

দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিচারিক আদালত থেকে আইনের ফাঁক গলে রথীমহারথী আসামিরা খালাস পেয়ে যাচ্ছ। কিন্তু উচ্চ আদালতে আপিল পর্যন্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ দুদক আইনে একমাত্র কমিশনের সিদ্ধান্তেই আপিল করার বিধান রয়েছে।

২০০৪ সালে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরুর পর দুদক এ পর্যন্ত সাতটি কমিশন পেয়েছে। ক্ষমতার পালাবদলে এগুলোর মধ্যে ৪টিকে বিদায় নিতে হয়েছে মেয়াদপূর্তির আগেই। তবে সাড়ে তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে শীর্ষ পদ পুরোপুরি শূন্য থাকার ঘটনা এবারই প্রথম। অভিভাবকহীনতায় দুদকে এই সাড়ে তিন মাসে থমকে পড়েছে বিভিন্ন হাইপ্রোফাইল মামলার তদন্ত; আটকে আছে ৩ হাজারেরও বেশি নতুন অভিযোগের যাচাই-বাছাই, বহু মামলা, চার্জশিটের অনুমোদনসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

এদিকে কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদ শূন্য হওয়ার ১১০ দিন পর নতুন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। দুদকের কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি সার্চ বা বাছাই কমিটি গঠন করে গত সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর মাধ্যমে দুদকের নতুন কমিশন গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। জুলাই মাসের মধ্যেই নতুন কমিশন গঠনের কাজটি শেষ করতে চায় সরকার। এর আগে চলতি সংসদ অধিবেশনে কতিপয় সংস্কারসহ দুদকের নতুন আইন পাস করা হচ্ছে। নতুন আইনে কমিশনের মেয়াদ কমিয়ে ৫ বছর থেকে ৪ বছর করা হতে পারে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যান এবং মিঞা মুহাম্মদ আলী আকবার আজিজী ও হাফিজ আহসান ফরিদকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর দুদক আইন সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ৩ মার্চ চেয়ারম্যানসহ দুই কমিশনার একযোগে পদত্যাগ করেন। পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছিলেন তারা, তবে দায়িত্ব পালন করেন মাত্র এক বছর দুই মাস। এরপর থেকেই কমিশন শূন্য হয়ে পড়ে। এর মধ্যে গত ১২ মার্চ সংসদে উপস্থাপিত অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না হওয়ায় ১১ এপ্রিল থেকে দুদক সংক্রান্ত অধ্যাদেশের কার্যকারিতা শেষ হয়ে যায়। ফলে ওইদিন থেকে আবার কার্যকর হয় দুদক আইন, ২০০৪। নতুন আইন পাস হলে পুরনো আইন বাতিল হবে, তখন পরিবর্তনের ধারায় ফিরতে পারবে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতিবিরোধী একমাত্র সংস্থা দুদক।

দুদকের সাবেক মহাপরিচালক মঈদুল ইসলাম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, “দুদক অকার্যকর থাকায় দুর্নীতিবাজরা তাদের অবৈধ সম্পদ বিক্রি করার সুযোগ পাচ্ছেন। বিলম্বিত হওয়ায় অনেক সময় মামলার আলামতও নষ্ট হয়ে যায়। এর সুযোগ নেন আসামিরা। এভাবে চললে দুর্নীতির ধারণাসূচকেও বাংলাদেশের অবস্থান খারাপের দিকে যাবে। তাই শূন্য পদ দ্রুত পূরণ করতে হবে।”

অভিযোগ আছে, বন্ধ অনুসন্ধান ও মামলা

দুদকের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয়, সমন্বিত জেলা কার্যালয়সহ (সজেকা) যে সকল সরকারি দপ্তরের নির্দিষ্ট সেলে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেসব স্থানে প্রতিদিনই নানা অভিযোগ জমা পড়ে। এসব অভিযোগ সরাসরি চলে আসে প্রধান কার্যালয়ে কমিশনের চেয়ারম্যানের দপ্তরে। নিয়ম অনুযায়ী সেসব অভিযোগ চেয়ারম্যানের দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়। কিন্তু গত সাড়ে তিন মাস ধরে প্রতিদিন নতুন দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়লেও সেগুলোর কোনোটিই অনুসন্ধানের জন্য নেওয়া যাচ্ছে না। কেননা এতে কমিশনের অনুমোদনের প্রয়োজন। চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগের পর এমন অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে দুদকে। মামলা দায়ের, তদন্ত প্রতিবেদন অনুমোদন, আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল, সম্পত্তি জব্দ বা বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার আবেদনের ক্ষেত্রেও কমিশনের অনুমোদন নিতে হয়। কমিশনের অভাবে আসামি গ্রেপ্তারের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমও কার্যত বন্ধ।

দুদক আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের অনুমোদন ছাড়া নতুন অনুসন্ধান বা তদন্ত প্রতিবেদন অনুমোদন করা যায় না। এ পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে দুদকের সচিবের ক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে সরকারকে চিঠি পাঠানো হয়। তবে সে উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কমিশনের পদত্যাগের আগে যেসব অনুসন্ধান ও তদন্ত শুরু হয়েছিল, সেগুলোর কিছু কাজ চলমান। কিন্তু বিভাগীয় পরিচালক ও মহাপরিচালক পর্যায়ে ফাইল প্রস্তুত হলেও কমিশন না থাকায় সেগুলো অনুমোদনের জন্য আর এগোচ্ছে না। এতে শত শত ফাইল আটকে আছে।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আখতারুল ইসলাম বলেন, “কমিশন না থাকায় নতুন কোনো অনুসন্ধান শুরু করা যাচ্ছে না। মামলা দায়ের ও অভিযোগপত্র অনুমোদনের কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে।”

অভিযোগের সঠিক পরিসংখ্যান নেই

অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিদিন কী পরিমাণ অভিযোগ জমা পড়ে এর কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই দুদকের হাতে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জমা পড়া অভিযোগগুলো চেয়ারম্যানের দপ্তরে আসার পর তা পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। কিন্তু এর পর কোনো অগ্রগতি ঘটছে না।

দুদক প্রধান কার্যালয়ের প্রধান ফটকের ডানপাশেই রয়েছে ‘পত্র প্রাপ্তি শাখা’। এ শাখায় গত সোমবার খোঁজ করে জানা গেছে, অভিযোগ আসছে, তা গ্রহণ করার পর চলে যাচ্ছে চেয়ারম্যানের দপ্তরে।

শাখার প্রধান এএসআই মো. ওবায়দুর রহমান খান (কোর্ট সহকারী) জানালেন, প্রতিদিনই এখানে অনেক চিঠিপত্র গ্রহণ করতে হয়। এর মধ্যে কিছু আসে অভিযোগ, কিছু আসে তথ্য। ‘যত চিঠি আসে তার সবই অভিযোগ নয়’ জানিয়ে ওবায়দুর বলেন, যেসব অভিযোগ আসে তা চেয়ারম্যানের দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর যেসব তথ্য আসে তা সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়। নিয়ম অনুযায়ী যেসব অভিযোগ আসবে, তা চেয়ারম্যানের দপ্তরে লিপিবদ্ধ হয়ে একটা স্মারক নম্বর দিয়ে চলে যায় যাচাই-বাছাই কমিটির (যাবাক) মহাপরিচালকের কাছে। সেখান থেকেই অভিযোগের ধরন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়।

এএসআই ওবায়দুর প্রধান কার্যালয়ের পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, প্রতিদিন ৫০টির মতো দাপ্তরিক চিঠি পাওয়া গেলে তার মধ্যে ৮-১০টিই থাকে অভিযোগ সংবলিত। এ ছাড়া দুদকের হটলাইনে (১০৬) টোলফ্রি ফোন করেও প্রতিদিন অগণিত মানুষ অভিযোগ জানান। হটলাইনে পাওয়া অভিযোগ শোনার এবং কর্তৃপক্ষের নজরে আনার কাজ করেন ৭-৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। তিনি জানান, দুদকের প্রধান কার্যালয় ছাড়াও বিভাগীয় অফিস, সজেকা, জেলা প্রশাসকসহ আরও অন্যান্য সরকারি দপ্তরে স্থাপিত দুদকের সেলে অভিযোগ জমা পড়ে প্রতিদিন। এসব আবার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়। সব মিলে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭০০ অভিযোগ আসে দুদকে। এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য দুদকের রয়েছে ৩০০ তদন্ত কর্মকর্তা। যারা সহকারী পরিচালক থেকে পরিচালক পদমর্য়াদার কর্মকর্তা।

তথ্য আসার ব্যাপারে জানতে চাইলে দুদকের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলাসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো বন্ধ থাকলেও প্রশাসনিক কাজসহ বিগত কমিশনের চাহিদা মোতাবেক সরকারি, বেসরকারি দপ্তর, ব্যাংক-বীমাসহ বিভিন্ন সংগঠন-প্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য চেয়ে যেসব চিঠি পাঠানো হয়েছে, তা চাহিদার ভিত্তিতে তারা তথ্যাকারে দুদকে পাঠাচ্ছেন।

পুনর্গঠনের কাজ জুলাইয়ে 

অবশেষে দুদকের নতুন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটি গঠন করেছে সরকার। চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদ শূন্য হওয়ার ১১০ দিন পর গত সোমবার নতুন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরুর অংশ হিসেবে পাঁচ সদস্যের একটি সার্চ (বাছাই) কমিটি গঠন করে সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ দিতে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুদকের কমিশনারের প্রতিটি শূন্যপদের বিপরীতে বাছাই কমিটি দুইজন করে প্রার্থীর নামের তালিকা করবে। পরে সেই তালিকা নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। ছয়জনের সুপারিশের তালিকা থেকে রাষ্ট্রপতি তিনজনকে কমিশনার পদে নিয়োগ দেবেন। এর মধ্যে সিনিয়র কমিশনারই হবেন চেয়ারম্যান। সার্চ কমিটি গঠনের ফলে দুদকের নতুন কমিশন গঠনের কাজ এগিয়ে গেল।

সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানান, চলতি বাজেট অধিবেশনে দুদকের নতুন আইনটি পাস হওয়ার পর আইনানুযায়ী কমিশন কত সদস্যের হবেন, তা নির্ধারিত হয়ে যাবে। পুরনো আইনে কমিশনের সদস্য সংখ্যা তিনজন। নতুন আইনে এ সংখ্যা বেড়ে ৫ জন হতে পারেন। এ ছাড়া কমিশনের আগের ৫ বছরের মেয়াদ কমিয়ে ৪ বছর করা হতে পারে। সব মিলে বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই শেষ হবে। তারপরই নতুন আইনে দুদক গঠিত হবে।

উচ্চ আদালতে আপিল করা যাচ্ছে না 

ঢাকার বিচারিক আদালতে ১৫ থেকে ২০টি মামলায় আসামিরা খালাস পেলেও রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারছে না দুদক। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ২৯ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন বিচারিক আদালতে রায় হওয়া গুরত্বপূর্ণ ৫টি মামলায় ২৫ জন আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন। দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শেষে তাদের অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছিল দুদকের আইনজীবী প্যানেল। আইনের ফাঁকফোকরে তারা খালাস পেয়ে গেলেও কমিশনের সিদ্ধান্তের অভাবে দুদকের প্যানেল আইনজীবীরা ওইসব মামলার রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারছেন না। 

খালাস পাওয়া আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেনÑ বিমানের সাবেক এমডি ও সিইও আবুল মুনিম মোসাদ্দিক আহমেদ। যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ ইতোমধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এ ছাড়া উল্লিখিত সময়ের আগে বিগত কমিশনের সময় রায় হওয়া একটি দুর্নীতি মামলায় রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী মো. এমদাদুল ইসলাম, কেয়া কসমেটিকসের পরিচালক মো. মাসুদ পাঠানকে খালাস দিয়েছে বিচারিক আদালত। আগের কমিশন তাদের বিরুদ্ধে আপিল করার সময় না পেলেও পরে কমিশনশূন্যতায় তাদের বিরুদ্ধেও আপিল করতে পারছে না দুদক। অথচ দুদক বলছে, আদালতে খালাসপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, যা তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। 

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা