আজিমপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে মঙ্গলবার আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। ছবি: প্রতিদিনেরা বাংলাদেশ
সচেতনতার অভাবে একটি শিশুও যেন মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে না পড়ে, সে দিকে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।
তিনি বলেছেন, অপুষ্টি ও ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতিজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে শিশুদের সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আজিমপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে মঙ্গলবার আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন জেলা প্রশাসক।
ফরিদা খানম বলেন, “একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও হামের মতো রোগের জটিলতা এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সহায়তা করে”।
জেলা প্রশাসক বলেন, “সরকারের লক্ষ্য হলো ঢাকা জেলার কোনো শিশুই যেন এই জীবনরক্ষাকারী ক্যাপসুল গ্রহণ থেকে বঞ্চিত না হয়। বিশেষ করে বস্তি এলাকা, ভাসমান জনগোষ্ঠী এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে আনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে”।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৮ জুন সারাদেশে একযোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় জাতীয়ভাবে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৯ জন শিশু।