প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। ফাইল ছবি
আগামী দিনে দেশের বিমান খাত কোথায় অবস্থান করবে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনাসহ একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।
ঢাকার একটি হোটেলে রবিবার অনুষ্ঠিত ‘বিমান চলাচল মহাপরিকল্পনা পর্যালোচনা’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিমান পরিবহন এখন আর শুধু যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের মাধ্যম নয়; এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, পর্যটন বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাই জাতীয় উন্নয়নের স্বার্থে একটি আধুনিক, দক্ষ ও টেকসই বিমান পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা অপরিহার্য।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক বিমান চলাচল কেন্দ্র (এভিয়েশন হাব) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে সুপরিকল্পিত মহাপরিকল্পনা প্রয়োজন। দেশের বিমান খাত আগামী দিনে কোথায় অবস্থান করবে, তার সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা এই মহাপরিকল্পনায় প্রতিফলিত হতে হবে।
দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত বিমান চলাচল মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এ লক্ষ্যে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজামান মিল্লাত বলেন, সরকার ইতোমধ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের উন্নয়নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে চলছে।
তিনি আরও বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে পরিচালনার প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি দেশের চারটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরকে আরও কার্যকর ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।
এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার।