প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৫৯ মিনিট আগে
আপডেট : ১৫ মিনিট আগে
মাভাবিপ্রবি আয়োজিত শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘তাঁর জীবন, কর্ম ও আদর্শ’ -শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালুর মাধ্যমে মানুষের বাক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বেই দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছিল এবং সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) আয়োজিত শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘তাঁর জীবন, কর্ম ও আদর্শ’ -শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শনিবার তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক সংকটের সময় জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পুনর্গঠন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র, আর সেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতেই জিয়াউর রহমান বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। মানুষের মত প্রকাশের অধিকার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই ছিল তার রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম ভিত্তি।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছে এবং জনগণই ভবিষ্যতে সরকারের কার্যক্রমের মূল্যায়ন করবে। তিনি রাজনৈতিক বিভাজন ও অনৈক্যের পরিবর্তে জাতীয় স্বার্থে ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যাতে দেশে আর কোনো ধরনের স্বৈরাচারী কিংবা দমনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।