প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬ ২১:০০ পিএম
আপডেট : ১৬ জুন ২০২৬ ২১:৪১ পিএম
ট্রেন। ছবি: বাসস
দেশের আরও ১০ জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহণ এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, দেশের রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে শেরপুর, মেহেরপুর, মাগুরা, সাতক্ষীরা, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলাকে পর্যায়ক্রমে রেল যোগাযোগের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে রেল মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, সার্বিক যোগাযোগব্যবস্থা, সেবার মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা হয়েছে। বৈঠকে রেল খাতের উন্নয়নে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
তিনি জানান, আখাউড়া-সিলেট ও সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেল প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে ধীরা শ্রমে একটি আইসিডি (ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপো) প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের যেসব অংশ এখনও মিটারগেজ রয়েছে, বিশেষ করে টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-সিলেট অংশ, সেগুলো ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে উন্নীত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রাজধানীকেন্দ্রিক কমিউটার ট্রেন সেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ঢাকা-মানিকগঞ্জ রেল সংযোগ স্থাপনের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলার বাসিন্দারা দ্রুত যাতায়াতের সুবিধা পাবেন।
শেখ রবিউল আলম বলেন, ভবিষ্যতে রেললাইন, লোকোমোটিভ ও বগি আলাদা প্রকল্পের মাধ্যমে নয়, সমন্বিত প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন করা হবে। ফলে নতুন রেললাইন নির্মাণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ট্রেন চলাচল শুরু করা সম্ভব হবে।
এ ছাড়া ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের বিষয়েও প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা এসেছে বলে জানান তিনি।
এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে প্রায় ৮০ থেকে ৮২ কিলোমিটার পথ কমে আসবে।
বর্তমানে দেশের ৪৯টি জেলার সঙ্গে রেল যোগাযোগ রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য দেশের ৬৪ জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা। সে লক্ষ্যেই নতুন জেলাগুলোতে রেল সংযোগ স্থাপনের সম্ভাব্য রুট ও প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়েছে।