প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
জাতীয় সংসদে বর্তমান সরকারের অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট প্রস্তাব করেছেন।
নতুন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট হওয়ায় এটি নিয়ে সাধারণ মানুষের ব্যাপক কৌতূহল ও প্রত্যাশা ছিল বলে মন্তব্য করেছে মুভমেন্ট ফর ওয়ার্ল্ড এডুকেশন রাইটসের (ডব্লিউএমইআর) আহ্বায় ফারুক আহমাদ আরিফ ও যুগ্ম আহ্বায়ক এনায়েত উল্লাহ শরীফ (কৌশিক)।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার তারা এ কথা বলেন।
ডব্লিউএমইআর জানায়, বাজেটে চাল, গম, আলু, পেঁয়াজের উৎস কর কমানো এবং মোবাইল সিমের ট্যাক্স প্রত্যাহার ভোক্তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক। তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাজারে মূল দাবি ছিল বাজার নিয়ন্ত্রণ ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো। করের আওতা বাড়ানোর পরিকল্পনা যেন মধ্যবিত্ত বা স্বল্প আয়ের মানুষের ওপর অতিরিক্ত বোঝা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে নজর রাখা জরুরি। বাজেট ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও স্বয়ংক্রিয় করার অনুরোধ জানাচ্ছি।পাশাপাশি, শিক্ষা খাতের আমূল সংস্কার ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে রেকর্ড ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা (জিডিপির ২ শতাংশ) বরাদ্দ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে এর সুফল পেতে শুধু অর্থ বরাদ্দই যথেষ্ট নয়; শিক্ষাক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, অপচয় রোধ এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকার এই বাজেটের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের প্রকৃত স্বস্তি নিশ্চিত করবে বলে প্রত্যাশা করি।