প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করছেন।
জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার বিকfল ৩টায় তিনি বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন।
প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটিই প্রথম বাজেট।
এর আগে সকালে, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেটে অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আগামী অর্থবছরের জন্য মোট ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০ দশমিক ২ শতাংশ।
সরকারের লক্ষ্য আগামী অর্থবছরে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা এবং মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা। এই লক্ষ্য অর্জনে বাজেটে ১০টি প্রধান অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারের বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও চিকিৎসাসামগ্রীর ওপর শুল্ক-কর কমানো হতে পারে। একই সঙ্গে ব্যক্তিশ্রেণিতে করমুক্ত আয়সীমাও বাড়ানো হবে।
বাজেটে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য করের নিয়মনীতিতে আরও কড়াকড়ি করা হতে পারে। করজালের আওতা বাড়াতে ব্যবসায় শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) এবং করদাতা শনাক্তকরণ নম্বরের (টিআইএন) ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ থাকছে।
করজালের আওতা বাড়াতে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পণ্য সরবরাহের ওপর শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ আগাম কর বসানোর প্রস্তাব আসতে পারে। এর পরিমাণ খুব বেশি নয়; প্রতি ১ হাজার টাকার পণ্য সরবরাহে দিতে হবে মাত্র ২ টাকা।
স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি হিসেবে সরকার এবারও শুল্ক যৌক্তিকীকরণের ধারা অব্যাহত রাখতে চায়। এর অংশ হিসেবে ৬৯টি শ্রেণির পণ্যে আমদানি শুল্ক কমানো, ১১৩টি পণ্যে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক প্রত্যাহার এবং ৯টি পণ্যে সম্পূরক শুল্ক কমানো বা তুলে নেওয়া হতে পারে।