প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ১ ঘণ্টা আগে
বন অধিদপ্তরের অভিযানে উদ্ধার করা হয় পেঁচা, পাহাড়ি হলুদ কচ্ছপ ও সজারুসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৪২টি বন্যপ্রাণী। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
হনুমান, পেঁচা, পাহাড়ি হলুদ কচ্ছপ ও সজারুসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৪২টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে বন অধিদপ্তর। এসময় পাচারের অভিযোগে মো. সাজুদ্দিন (২৪) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছ।
বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের অভিযানে এসব প্রাণী উদ্ধার করা হয়েছে বলে বন অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।
উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণীগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজধনেশ ৩টি, চশমাপরা হনুমান ৩টি, পাহাড়ি হলুদ কচ্ছপ ১৩টি, টিয়া পাখি ১২টি, ময়না ১টি, লজ্জাবতী বানর ৩টি, ঈগল পেঁচা ১টি, এশিয়ান পাম সিভেট ৩টি, সজারু ৩টি।
আটক সাজুদ্দিন শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁওয়ের বাসিন্দা। তাকে ঢাকার মিরপুর-১২ এলাকার ইস্টার্ন হাউজিং সংলগ্ন সোনালী বাজার এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসীম মল্লিক।
উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণীগুলোকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরিচর্যার জন্য আপাতত বন অধিদপ্তরের হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে প্রাণীগুলোকে তাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশে স্থানান্তর করা হবে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই বন্যপ্রাণী পাচার চক্রের সঙ্গে মোহাম্মদ হাদিস রহমান জড়িত রয়েছেন। তিনি ইতোমধ্যে কক্সবাজারের চকরিয়া বন বিভাগের অভিযানে গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে জেল হেফাজতে আছেন।
তদন্তে আরও তথ্য পাওয়া গেছে যে, হাদিস রহমানের স্ত্রী খুশি অনলাইনের মাধ্যমে চক্রটির কার্যক্রম সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি অধিকতর তদন্তাধীন রয়েছে এবং পাচার চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০২৬ আইন লঙ্ঘন করে কোনো ব্যক্তি বা চক্র যেন বন্যপ্রাণী শিকার, সংগ্রহ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয় বা পাচারের সঙ্গে জড়িত না হয়, সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে বন অধিদপ্তর।