× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষে মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মশালা

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে

ফিশনেট (FISHNET) প্রজেক্টের সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মশালায় দেশের সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ, নীল অর্থনীতি, সামুদ্রিক গবেষণা এবং টেকসই সমুদ্র ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। ফাইল ছবি

ফিশনেট (FISHNET) প্রজেক্টের সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মশালায় দেশের সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ, নীল অর্থনীতি, সামুদ্রিক গবেষণা এবং টেকসই সমুদ্র ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। ফাইল ছবি

বিশ্ব মহাসাগর দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ঢাকায় এক কর্মশালার আয়োজন করেছে মৎস্য অধিদপ্তর।

ফিশনেট (FISHNET) প্রজেক্টের সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মশালায় দেশের সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ, নীল অর্থনীতি, সামুদ্রিক গবেষণা এবং টেকসই সমুদ্র ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় অধিদপ্তরের পরিচালক, উপপরিচালক ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিদ্যা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন ফিশারিজ সায়েন্স বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ, বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জাইকা (JICA), আইইউসিএন (IUCN) বাংলাদেশ, ওয়ার্ল্ডফিশ এবং সামুদ্রিক মৎস্য আহরণকারী ট্রলার ও আর্টিস্যানাল নৌযান মালিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

কর্মশালায় মূল কারিগরি উপস্থাপনা করেন মৎস্য অধিদপ্তরের ব্লু ইকোনমি শাখার উপপরিচালক ড. মুহাম্মদ তানভীর হোসেন চৌধুরী, সহকারী পরিচালক (মেরিন) ড. মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন এবং ফিশনেট প্রকল্পের প্রতিনিধি আরিফুজ্জামান। উপস্থাপনায় বাংলাদেশের সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা এবং সমুদ্রভিত্তিক উন্নয়নের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।

ফিশনেট প্রকল্পের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাগেরহাট, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার সাতটি গুরুত্বপূর্ণ জলজ ও উপকূলীয় প্রতিবেশব্যবস্থাকে অন্যান্য কার্যকর এলাকা-ভিত্তিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা (OECM) ঘোষণার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তরের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞরা সামুদ্রিক গবেষণার অগ্রাধিকার নির্ধারণ, সমুদ্র পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, গভীর সমুদ্রের মৎস্যসম্পদ অনুসন্ধান, সামুদ্রিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং নীল অর্থনীতির বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে ড. মো. খালেদ কনক বলেন, “দেশের সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, গবেষণা সম্প্রসারণ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন”।

তিনি সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তর, চট্টগ্রামের সমন্বয়ে পরিচালিত শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান এবং সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণে তরুণ গবেষকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, নিরাপদ ও উৎপাদনশীল সামুদ্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। কর্মশালার সার্বিক সহযোগিতায় ছিল ফিশনেট প্রকল্প।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা