রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র
বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০২৬ ০৯:৩৬ এএম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ খরচের ৫ বিলিয়ন ডলার আত্মসাতের অভিযোগ শুরু থেকেই আলোচিত। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ খরচের ৫ বিলিয়ন ডলার আত্মসাতের অভিযোগ শুরু থেকেই আলোচিত। এই দুর্নীতির তদন্ত দেশের বাইরে পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। তবে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যে অনুসন্ধান শুরু করেছিল, তাতে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। অন্যদিকে ব্রিটেনে বিতর্কের কারণে টিউলিপ সিদ্দিককে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। দুদক জানিয়েছে, এ বিষয়ে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগÑ বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) তিনবার চিঠি পাঠিয়েছে, কিন্তু কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ২০২৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর এবং ২০২৫ সালের ৯ মার্চ ও ১২ মেÑএই তিন দফায় বিএফআইইউর কাছে চিঠি পাঠানো হয়। এরপরও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ ও রাশিয়ার সরকারের মধ্যে ২০১১ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি হয়। সাড়ে ১২ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড়। এটি বাস্তবায়ন করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি রোসাটম। পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে প্রতিটি এক হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিটের মাধ্যমে মোট দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। ২০১৫ সালে রাশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হয়। প্রকল্পের খরচের ৯০ শতাংশ ঋণ হিসেবে দিচ্ছে রাশিয়া, তবে কোনো অর্থ সরাসরি দেশে আসছে না—ঋণের মাধ্যমে যন্ত্রপাতি ও বিশেষজ্ঞ পাঠানো হচ্ছে এবং তার খরচই বহন করছে রাশিয়া। প্রকল্পটির উৎপাদন সূচি এ বছর শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এক বছর পিছিয়ে গেছে। এ পর্যন্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট, গ্লোবাল ডিফেন্স কর্প নামের একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রূপপুর প্রকল্প থেকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকসহ পাঁচজন মিলে ৫ বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করেছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী রোসাটম মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংকের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এই অভিযোগের পর ডিসেম্বরে দুদক অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য কর্মকর্তাদের নিয়োগ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে পরিচালিত ‘প্রচ্ছায়া লিমিটেড’ এবং যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত ‘জুমানা ইনভেস্টমেন্ট’ নামের কোম্পানির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের অফশোর হিসাবের মাধ্যমে বিপুল অর্থ পাচারের অভিযোগ ছিল। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচারের অভিযোগও রয়েছে। সেজন্য অভিযুক্তদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের নামে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, মালয়েশিয়া, কানাডা, হংকং, সিঙ্গাপুর, ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য দেশের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট থেকে ব্যাংক হিসাব, আর্থিক লেনদেন ও অন্যান্য স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিএফআইইউতে চিঠি পাঠানো হয়।
অনুসন্ধানকালে দুদক জানতে পেরেছে, রূপপুর প্রকল্পের কোনো অর্থ সরাসরি দেশে আসেনি; সব লেনদেনই বিদেশে হয়েছে। দেশে এসেছে কেবল যন্ত্রপাতি ও মালপত্র। রূপপুরে যে খরচে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে, ভারতে তার চেয়ে সাত ভাগের এক ভাগ খরচে একই উৎপাদনক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে।
ডিফেন্স কর্পের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মালপত্র কেনাকাটায় ওভার ইনভয়েসিং (মূল্য বেশি দেখানো) করা হয়েছে এবং প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে মালয়েশিয়ার মানি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে। তবে অনুসন্ধানকালে দুদক এখনও সেই মানি এক্সচেঞ্জগুলোর নাম জানতে পারেনি। এ ছাড়া ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে টাকা পাচার হয়েছে কি না, সেটিও নির্ণয় করা যাচ্ছে না।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, পরমাণু শক্তি কমিশন থেকে তথ্য চেয়ে চুক্তি-সংক্রান্ত কিছু নথি পাওয়া গেছে, যা বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত ব্যাংকিং লেনদেনের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
চলতি বছর বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনে আসার কথা থাকলেও তা এক বছর পিছিয়ে গেছে। এ ছাড়া প্রকল্প এলাকার কাজ পরিমাপ করার মতো কোনো বিশেষজ্ঞ দুদকের হাতে নেই। সাধারণত গণপূর্ত অধিদপ্তর দুদকের অনুসন্ধান কাজে সহায়তা প্রদান করে, তবে প্রকল্প এলাকায় অনুসন্ধান দল সরেজমিন পরিদর্শনও করেনি।
শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের অনুসন্ধানের নেতৃত্বে ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন। তাকে কয়েক মাস পর যশোরে বদলি করা হয়। এরপর দলনেতা হন উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম। অনুসন্ধান শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত তারা ১৯টি মামলা করেছেন, যেগুলোর তদন্ত চলছে।
২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট গ্লোবাল ডিফেন্স কর্প নামের একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রূপপুর প্রকল্প থেকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকসহ পাঁচজন মিলে ৫ বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করেছেন।
যা বলেছে রোসাটাম
দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর রোসাটম এক বিবৃতিতে প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে রোসাটম উস্কানিমূলক আখ্যা দিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর এক বিবৃতিতে রোসাটম জানায়, আমরা গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত অসত্য তথ্যগুলোকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করছি। আমাদের সকল প্রকল্পে উন্মুক্ত কর্মপন্থা, দুর্নীতি প্রতিরোধ নীতি এবং ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ততা তৃতীয় পক্ষীয় নিরীক্ষার মাধ্যমে নিয়মিতভাবে নিশ্চিত করা হয়। ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট ঢাকায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কি বিষয়টি নিয়ে বলেন, ‘নির্দ্বিধায় বলতে পারি, এটি গুজব ও মিথ্যা।’
জিজ্ঞাসাবাদের মুখে টিউলিপ
বাংলাদেশের অবকাঠামো প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্তে যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দেশটির মন্ত্রিসভা কার্যালয়ের প্রোপ্রাইটি অ্যান্ড এথিকস টিম (পিইটি)। ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসে এ খবর পরিবেশিত হয়। যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের বন্ধু হিসেবে পরিচিত টিউলিপ হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড হাইগেট আসনের জনপ্রতিনিধি। তিনি দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনীতি বিষয়ক মিনিস্টার (ইকোনমিক সেক্রেটারি) ছিলেন। দেশটির আর্থিক খাতে দুর্নীতি বন্ধের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ২০১৩ সালে বাংলাদেশে বেশি অর্থ ব্যয়ে নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেছিলেন। এই চুক্তি থেকে তিনি ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ৫৭ হাজার কোটি টাকা) আত্মসাৎ করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তের আওতায় রয়েছে এই অভিযোগ। শেখ হাসিনা টিউলিপ সিদ্দিকের খালা।
তিনি মন্ত্রিসভার প্রোপ্রাইটি অ্যান্ড এথিকস টিমের (পিইটি) সঙ্গে এই অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে সম্মতি দিলে টিউলিপের কার্যালয়ে পিইটির এক কর্মকর্তা তার সঙ্গে দেখা করেন। ওই কর্মকর্তা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন করলে সেগুলোর জবাব দেন টিউলিপ। তিনি দাবি করেছেন, এগুলো ‘মিথ্যা অভিযোগ’ এবং ‘পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’ দ্য টাইমসের প্রতিবেদন মতে, রাশিয়ার সঙ্গে এই চুক্তি নিয়ে টিউলিপের ব্যাখ্যা কোনো ধরনের যাচাই ছাড়াই গৃহীত হয়েছে। তিনি পিইটির প্রতিনিধির প্রশ্নের জবাব দিলেও এর অর্থ এটা নয় যে, তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের নাগরিক সেবা বিষয়ক তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে।
এপির একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ২০১৩ সালে ক্রেমলিনে শেখ হাসিনা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চুক্তি সই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন টিউলিপ সিদ্দিক। পুতিনের সঙ্গে ছবিও তোলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, এই চুক্তির অংশ হিসেবে বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। টিউলিপ সিদ্দিকের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বলেছে, তিনি বাংলাদেশ ও রাশিয়ার কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠকে মধ্যস্থতা করেছেনÑ এমন অভিযোগ ‘অতিরঞ্জিত’ এবং ‘পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
পিইটির কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার সময় একই ধরনের বক্তব্য দেন টিউলিপ সিদ্দিক। ‘রাজনৈতিক চক্রান্তের’ শিকার হওয়ার দাবি করেন। তিনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে প্রায় এক দশকের বেশি সময় আগে রাশিয়ায় তার খালার (হাসিনা) সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। কারণ যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশ যাওয়ার তুলনায় রাশিয়া যাওয়ার ফ্লাইট-দূরত্ব অপেক্ষাকৃত কম।
লেবার পার্টির মুখপাত্র দ্য মেইলকে বলেন, “টিউলিপ এমপি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার দুই বছর আগে দুটি দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে তার কোনো ধরনের যোগসূত্র নেই।”
টিউলিপ এর আগে দাবি করেছেন, পুতিনের অনুরোধেই তার সঙ্গে ছবি তুলেছিলেন তিনি।
পুতিন নাকি জিজ্ঞাসা করেন, “আপনার পরিবারের সদস্যরা কি এখানে আছে? আমি সবার সঙ্গে একটি ছবি চাই।”
মেইলের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি টিউলিপ ও অন্যদের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ জোগাড় করছে। এই প্রক্রিয়া শেষে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই টিউলিপের কাছে চিঠি পাঠানো হবে। টিউলিপের জবাবের ভিত্তিতে তদন্তকারীরা পরবর্তী উদ্যোগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
দুদকের তদন্ত প্রসঙ্গে স্টারমার জানিয়েছিলেন, টিউলিপের ওপর আস্থা হারাননি তিনি। তার মুখপাত্র জানান, মন্ত্রীদের জন্য ‘খুবই স্পষ্ট আচরণবিধি রয়েছে’ যা এ ক্ষেত্রে যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। অপর এক সূত্র জানায়, টিউলিপের সঙ্গে স্টারমারের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে কোনো পরিবর্তন আসেনি। দ্য টাইমসের দাবি, রাশিয়ার চুক্তি নিয়ে টিউলিপের ব্যাখ্যা পিইটি দল বিনা চ্যালেঞ্জে গ্রহণ করেছে।
তবে বিষয়টিকে গুরুতরভাবেই নিয়েছে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট, যা পিইটির প্রতিনিধির সঙ্গে টিউলিপের সাক্ষাতে স্পষ্ট হয়েছে। শেখ হাসিনার সঙ্গে টিউলিপের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে ভবিষ্যতে আরও বিব্রতকর পরিস্থিতির উদ্রেক হতে পারেÑ এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কর্মকর্তারা।